সমকামীতা বা সমকামী বিয়ে- Homosexual Marriage

 

               সমকামীতা বা সমকামী বিয়ে


                               Homosexual Marriage


Homosexual Marriage
Homosexual Marriage


" সমকামীতা বা সমকামী বিয়ে " - ভারতের তেলেঙ্গানায় প্রথম সমপ্রেমী বিয়ে । দুই জনই বরের সাজে - বধুহীন বিয়ে। কি অর্জন হবে তাতে বা মানব জাতির গন্তব্য কোথায় ? 


বিয়ে একটি পবিত্র এবং ধর্মীয় বিষয় । চিরাচরিত সামাজিক প্রথা অনুযায়ি বিয়েতে দুজন বিপরীত লিংগের মানুষ লাগে তথা বিয়ে হয় একজন ছেলে ও একজন মেয়ের মাঝে এবং তা সমাজিক-ধর্মীয়ভাবেও স্বীকৃত । ইদানীং ব্যক্তি স্বাধীনতার জয়-জয়কারের মাঝে এক নতুন ধরনের বিবাহ ব্যবস্থা সারা দুনিয়ায় বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা চলছে আর তা হলো "সমকামী বিবাহ" বা ছেলে ছেলেকে বিয়ে করবে বা মেয়ে মেয়েকে। এ কেমন বিবাহ ব্যবস্থা ? এ কি নৈতিক না অনৈতিক ? এ কি শুভবোধের সাথে যায় না অশুভ? এতে কি মানব জাতির ভবিষ্যত রক্ষা হবে বা এ কি মানব জাতির জন্য কল্যাণকর কোন বিষয় ? এ কি সমাজের ছোট-বড় সকলের সাথে শেয়ার করার বিষয় না কিছু বিকৃত মানষিকতার মানুষের ততোধিক বিকৃত ও ঘৃণিত কাজ যা আশে-পাশের মানুষের লজ্জার কথা বাদ তাদের এসব কাজে স্বয়ং শয়তানও লজ্জা পাবে । আর পশু ? পশুর বিবেক-বুদ্ধি না থাকলেও পশু সমশ্রেণীতে কখনো উপগত হয়না যতই কাম তাড়িত হউক অথচ মানুষরুপী এসব পশুরা পশুকেও হার মানায় তাদের বিকৃত কাম চরিতার্থ করতে গিয়ে। ধিক এসব বিকৃত মানুষের মানষিকতাকে।

সমকামীতা বা সমকামী বিয়ে

ইউরোপ-আমেরিকার অনেক দেশেই সমকামী বিবাহকে আইনীভাবেও স্বীকৃতি দিচছে বা দিয়েছে তারপরেও তা সমাজের মূলধারার বাইরের এবং বেশীরভাগ উদারনৈতিক কিংবা সামাজিক মানুষও এ জঘণ্য প্রথার বিপক্ষে । যদিও সারা দুনিয়াতেই বর্তমানে পরিবার ব্যবস্থা হুমকির মুখে এবং ধর্মের বন্ধনশিথিল হয়ে যাচছে তারপরও আমাদের উপমহাদেশ এ জঘণ্য প্রথা মুক্ত ছিল বা সমাজে কিছু সমকামী থাকলেও তারা প্রকাশ্যে তা ঘোষনা করত না লোকলজ্জা ও সামজিকতার ভয়ে। তবে এবার তারও অবসান ঘটতে চলেছে বলে মনে হয় যদিও আমাদের উপমহাদেশের কোন দেশেই তা আইন দ্বারা স্বীকৃত নয় বা সামাজিকভাবেও গ্রহনযোগ্য নয়।

Homosexual Marriage

সম্প্রতি তেলেঙ্গানায় এক বিয়ে হয়েছে। চিরাচরিত বিয়ের যে দৃশ্য, সেই বিয়েতে ছিল অনুপস্থিত । বিয়েতে এক জন বর ও একজন কনের সাজের পরিবর্তে এ বিয়েতে ও বিবাহ অনুষ্ঠানে দুজনেই উপস্থিত হয়েছিলেন বরের বেশে। আর এ ব্যতিক্রমী বিয়ে হয়েছে ভারতের তেলেঙ্গানায় । প্রথমবারের মতো আমাদের উপমহাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে করেছেন দুই সমপ্রেমী পুরুষ। ৩৪ বছরের তেলেঙ্গানার বাসিন্দা অভয় দাঙ্গের সঙ্গে ৩১ বছর বয়সী বাঙালি যুবক সুপ্রিয় চক্রবর্তী গত শনিবার গাঁটছড়া বাঁধেন। রিসোর্টে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিয়ে হয় তাদের। যদিও ভারতে সমপ্রেমী বিবাহ আইনত স্বীকৃত নয়। এই আনুষ্ঠানিক বন্ধনের সমগ্র আয়োজন করেছেন যুগলের হায়দরাবাদের বন্ধু তথা LGBTQ সম্প্রদায়ের সদস্য সোফিয়া ডেভিড।

সমকামীতা বা সমকামী বিয়ে

হায়দরাবাদের বাঙালি যুবক সুপ্রিয় এবং পাঞ্জাবি যুবক অভয় বর্তমানে আইটি ক্ষেত্রে কর্মরত। তাদের সম্পর্ক গড়ে ওঠার প্রথম ধাপ আর পাঁচটা প্রেমের মতোই। তারা যে আর পাচটা ছেলের থেকে কিছুটা আলাদা, তাদের পছন্দ আলাদা তা স্কুলজীবন থেকেই টের পেয়েছিলেন। আট বছর আগে ‘প্ল্যানেট রোমিও’ ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে পরস্পরের সঙ্গে পরিচয় হয়। তারপর বহুবার তারা ডেটে যান। অবশেষে গত বছরের তারা একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নেন। সামাজিক ভীতির গণ্ডি পেরিয়ে গত অক্টোবরে প্রথম সোশ্যাল মিডিয়ায় অভয়কে বিয়ে করার ঘোষণা করেন সুপ্রিয়।

Homosexual Marriage

 সমকামীতা বা সমকামী বিয়ে

এদিনের বিবাহ অনুষ্ঠানে দুজনেই উপস্থিত হয়েছিলেন বরের বেশে। দু'জনেরই পরনে ছিল সাদা স্যুট। তাদের পরিবার, বন্ধু ছাড়াও LGBTQ গোষ্ঠীর সদস্যসহ প্রায় ৬০ জন ওই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন। সরকারি আইন উপেক্ষা করে দুই সমকামীর বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া প্রসঙ্গে তারা বলেন, ‘ধর্ম বা রীতিনীতির বাধা ছাড়াই আমরা এটিকে সাধারণভাবেই উদযাপন করছি।’


সুপ্রিয় বলেন, "সম্পর্কের প্রধান মূল্যবোধ হল, গ্রহণযোগ্যতা। আমরা একে-অপরকে বদলানোর চেষ্টা করব না। আমি মনে করি, পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধার উপরই একটা সম্পর্ক দাঁড়িয়ে থাকে এবং আমরা এব্যাপারে কখনও সমঝোতা করব না"। তাদের দেখে এবার বাকী সমকামীরা নিজেদের মেলে ধরতে পারবে এবং সাধারণ সমপ্রেমী সম্পর্ক রাখতে পারবে বলেও আশাবাদী এই দম্পতি।

Homosexual Marriage

সুপ্রিয় আরও বলেন,"পরিবার আমাদের সম্পূর্ণভাবে সমর্থন জানায়নি। তবে আমাদের আরও ভালো পরিণতির জন্য সময় দিয়েছে"।‌


সমকামীতার ব্যাপারে ইসলামের নির্দেশনা কি -


জীব মাত্রই যৌন চাহিদা আছে । যৌন চাহিদা আছে গরু-ছাগলের, আছে কুকুর-বিড়ালেরও। তাই বলে আমি-আপনি কখনো দেখিনি এক ষাড় অন্য ষাড়ের সাথে যৌনক্ষুধা নিবারণ করছে। কুকুর-বিড়ালরাও কখনো সমান লিঙ্গের সাথে সেক্স শেয়ার করেনা। পৃথিবীতে যত জীব-জন্তু আছে তারা সবাই কামত্তোজনা উঠলে বিপরীত লিঙ্গের দারস্থ হয়। এদিকে আশরাফুল মাখলুকাত তথা শ্রেষ্টজীব মানুষ হয়ে যৌন চাহিদা মেটানোর ক্ষেত্রে জানোয়ার থেকেও অধম হই কী করে? বিকৃত মানষিকতার কিছু মানুষ তাদের যৌন চাহিদা মেটানোর জন্য সমলিঙ্গের দারস্থ হয়। সমান সমান লিঙ্গধারীরা পরষ্পর এক-অন্যের সাথে যৌন চাহিদা মেটানোর নামই হচ্ছে homosexuality বা সমাকামিতা।


ইসলামের সমকাম ব্যভিচারের চেয়েও জঘন্য অন্যায় । সমকামিতাকে ইসলামে সম্পূর্ণ হারাম করে দিয়েছে এবং তা স্বাভাবিক ব্যভিচারের চেয়েও খারাপ।হযরত লুত (আঃ) এর কওমকে মহান আল্লাহ যেসব কারনে ধ্বংস করে দিয়েছিলেন যেসব কারণের মধ্যে সমকামিতা ছিল একটি। এ ব্যাপারে আল কুরআনে বলা হয়েছে, "এবং আমি লূতকে প্রেরণ করেছি। যখন সে স্বীয় সম্প্রদায়কে বললঃ তোমরা কি এমন অশ্লীল কাজ করছ, যা তোমাদের পূর্বে সারা বিশ্বের কেউ করেনি ? তোমরা তো কামবশতঃ পুরুষদের কাছে গমন কর নারীদেরকে ছেড়ে। বরং তোমরা সীমা অতিক্রম করেছ"। (সুরা আরাফ,আয়াত - ৮০-৮১)।


এ ব্যাপারে মহান আল্লাহপাক মানুষকে সর্তক করে আল কুরআনে আরো বলেন," সৃষ্টিকুলের মধ্যে তো তোমরাই কি পুরুষের সাথে উপগত হও? আর তোমাদের রব তোমাদের জন্য যে স্ত্রীগণকে সৃষ্টি করেছেন তাদেরকে তোমরা বর্জন করে থাক। বরং তোমরা তো এক সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়"।(সূরা শু'আরা , আয়াত ১৬৫-১৬৬) ।


এ ব্যাপারে মহান আল্লাহ আল কুরআনে আরো বলেন, " স্মরণ কর লূতের কথা, তিনি তাঁর কওমকে বলেছিলেন, তোমরা কেন অশ্লীল কাজ করছ? অথচ এর পরিণতির কথা তোমরা অবগত আছ! তোমরা কি কামতৃপ্তির জন্য নারীদেরকে ছেড়ে পুরুষে উপগত হবে? তোমরা তো এক বর্বর সম্প্রদায়। উত্তরে তাঁর কওম শুধু এ কথাটিই বললো, লূত পরিবারকে তোমাদের জনপদ থেকে বের করে দাও। এরা তো এমন লোক যারা শুধু পাকপবিত্র সাজতে চায়। অতঃপর তাঁকে ও তাঁর পরিবারবর্গকে উদ্ধার করলাম তাঁর স্ত্রী ছাড়া। কেননা, তার জন্যে ধ্বংসপ্রাপ্তদের ভাগ্যই নির্ধারিত করেছিলাম"। (সুরা আন নমল,আয়াত - ৫৪-৫৭)


পুরুষ যদি পুরুষেই যৌন চাহিদা পুরণ করতে পারে তাহলে নিশ্চই নারীর প্রতি তার টান কমে যাবে। আবার নারী যদি নারীতেই যৌন চাহিদা পুরণ করতে পারে তাহলে পুরুষের প্রতি তার টান কমে যাবে। আর এর ফল কি দাঁড়াবে? পুরুষ যদি নারীর কাছে না বা নারী যদি পুরুষের কাছে না যায় তাহলে মানুষের বংশবৃদ্ধির কী হবে? সমকামিতার ফলে যেমন এইডস মহামারি ছড়াবে তেমনি মানুষের স্বাভাবিক প্রজনন ব্যহত হবে নিশ্চিতভাবে। হুমকির মুখে পড়বে মানবসভ্যতা ধ্বংস হবে মানুষের সামাজিক পরিবেশ।


মানুষের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ, এই যৌবন ও উদ্যম মানুষের প্রতি আল্লাহ তাআলার নেয়ামত? এই নেয়ামতকে আল্লাহ্‌র অবাধ্যতার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা কিংবা আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করার ক্ষেত্রে নিয়োজিত করা কি আদৌ তাঁর নেয়ামতের শুকরিয়া? এসব হারাম জিনিষ যেমন- অশ্লীল ম্যাগাজিন, নগ্ন ছবি ইত্যাদি, যা অবৈধ যৌনাচার ও মহাপাপে জড়িয়ে পড়তে মানুষকে প্ররোচিত করে এবং মনের মধ্যে খারাপ প্রভাব গভীরভাবে জিইয়ে রাখে তা থেকে দৃষ্টিকে সংযত করতে এবং মনকে পবিত্র রাখতে এসব থেকে আমাদের আল্লাহর আশ্রয় চাইতে হবে। যখনই এসব গুনাহ করার মনস্কামনা আমাদের মনে সৃষ্টি হবে কিংবা এই পাপে লিপ্ত হওয়ার জন্য শয়তানের ওয়াসওয়াসা অনুভূত হবে, তখনই আমাদের স্মরণ করতে হবে যে আমার এইসব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কাল কিয়ামতের মাঠে আমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষী হয়ে দাঁড়াবে।


এ প্রসংগে আল্লাহ তাআলা হুশিয়ারী উচচারন করে বলেন ," অবশেষে তারা যখন জাহান্নামের কাছে পৌঁছবে, তখন তাদের কান, তাদের চোখ ও তাদের চামড়া তাদের বিরুদ্ধে তাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে সাক্ষী দেবে, আর তারা তাদের চামড়াগুলোকে বলবে, কেন তোমরা আমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলে? তারা বলবে, আল্লাহ আমাদের বাক্শক্তি দিয়েছেন যিনি সবকিছুকে বাক্শক্তি দিয়েছেন। তিনি তোমাদেরকে প্রথমবার সৃষ্টি করেছেন এবং তাঁরই প্রতি তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে"।( সূরা হা-মীম আস-সাজদা(ফুসসিলাত), আয়াত - ২০-২১)।


পরিশেষে , আমাদের সকলকে আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ না হয়ে এসব পাপাচার থেকে মুক্তির চেষ্টা করতে হবে। সাবধান থাকতে হবে , যেন শয়তান যেন আমাদের উপর আধিপত্য বিস্তার করতে না পারে। আমাদেরকে সবসময় পাপ থেকে বেঁচে থাকার জন্য চেষ্টা করতে হবে এবং আল্লাহর নিকট তওবা করতে হবে আমাদের দ্বারা সংঘটিত পাপের জন্য ও পাপ থেকে মুক্তির জন্য । আর আল্লাহ তওবাকারীর সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেন। আমরা আল্লাহতাআলার প্রতি আশাবাদী তিনি আমাদের কুপ্রবৃত্তির বিপক্ষে আমাদেরকে সাহায্য করবেন এবং এই মহারোগ থেকে আমাদেরকে মুক্ত রাখবেন।

 

আমি জানিনা ভাই , এরা কেমন মানষিকতার মানুষ? একজন সুস্থ মানষিকতার মানুষ কখনো এজাতীয় ঘৃণীত কাজ করতে পারে বলে মনে হয়না। এ ব্যাপারটা ভাবলেই ভাই গা গুলিয়ে উঠে, বমি আসে । ধিক এসব বিকৃত মানুষিকতাকে। ওয়াক থু !

যদি আপনি জানেন যে আপনার পাশেরজন সমকামী তাহলে আপনি কিরকম উপলব্ধি করবেন ? বা আপনি কি একজন সমকামীকে আপনার মাঝে (পরিবারে) থাকতে দিতে রাজী আছেন ? বা আপনি কি তাদের কাউকে নিজের মাঝে কল্পনা করতে বা মেনে নিতে পারবেন? আর এটা সমাজের জন্য শুধু ক্ষতির কারনই নয় এ সামাজিক নীতি-নৈতিকতা ধ্বংসেরও কারন। পশ্চিমা দেশগুলো তাদের জনসংখ্যা কমানোর জন্য সমকামী বিয়েতে মত দিচ্ছে - কিন্তু ন্যায়ভিত্তিক সমাজে এটা কখনও গ্রহণযোগ্যতা পাবেনা। আমার মতে আস্তিকদের-নাস্তিকের বিষয় নয় , বিষয়টা হলো মানষিকতার । কতটা নিম্ন রুচি ও বিকৃত মানষিকতার একজন নর বা নারী একই নর বা নারীতে উপগত হতে পারে তা আমি কোনভাবেই মিলাতে পারিনা। আমি যে খুব ভাল এমন নই । যৌনতা আমারো আছে এবং আমিও যৌনতা অনুভব করি এবং উপভোগও করি। কারন, এটাই জীবের ধর্ম । তবে আমার পাশে কেউ একজন পুরুষ আছে যে কাপড় ধরে টানছে আমাতে উপগত হওয়ার জন্য এটা ভাবতেই মাথা ঘুরায় গা গুলিয়ে মুখ ভরে বমি আসতে চায় । এ কোন ধরনের মানষিকতা? এরা কি মানুষ না পশুর চেয়েও অধম? এসব ঘৃণিত কাজের সমাজে গ্রহণযোগ্যতা ত দূর - ব্যক্তিগতভাবে আমাকে যদি একজন সমকামী এবং একটি বাঘের মাঝে যে কোন একটি বেছে নিতে বলে, তাহলে আমি বাঘকে বেছে নিয়ে মরে যেতে রাজী আছি তবে এই নরাধমদের সাথে কিংবা সংস্পর্শে কিছু সময়ও থাকতে রাজী নই। ওয়াক থু ! ওয়াক থু !! ওয়াক থু !!


 সমকামীতা কেন আবির্ভাব হল? মানুষ বিয়ে করে সেক্স করবে এটা সভ্যতার শুরু থেকেই কোন কালে, কোন মতেই চালু ছিল না। না আপনাদের ইন্টিলিজেন্ট ডিজাইন ক্রিয়েশনিস্ট দের মতে না ডারুইনিজম এর মতে। মানুষ জাস্ট অন্য একটা প্রাণী এবং এই প্রাণী অন্য হোমো গনের দেখানো পথেই সেক্স করে। মানুষ আর বেবুন, গরিলা, বানর , চিম্পাঞ্জি ( অর্থাৎ মানুষ ও এই প্রাণী গুলো যে সেইম এন্সেন্টর থেকে উদ্ভুত হয়েছে তাদের সেক্স স্টাইল হুবুহু সেইম। এখানে নারী এবং পুরুষ প্রজাতির মিলনের একমাত্র রিজনিং ছিল বাচ্চা জন্মদান। এই প্রথা কিন্তু সেইম উপরে উল্লেখিত সেইম এন্সেস্টর এর অধিবাসী প্রাণি রাও মেনে চলে।


বাট মানুষ প্রজাতি তাদের ব্রেণ খাটিয়ে অন্য পর্যায়ে নিয়ে গেছে, এবং এই সেক্স কে বাচ্চা জন্ম দান ছাড়াও প্লেজার এর পার্ট বানিয়ে ফেলেছে। এই যে মানবের নতুন জন্ম দান থেকে প্লেজারে যেদিন থেকে বিবর্তন হল সেদিন থেকে এই লিনিয়ার মিশনারি পজিশনে একমাত্র ওভামের ভেতর স্পার্ম ভরার দিন শেষ হল, সেদিন থেকে ক্রমাগত মানুষ নিজেকে, নিজের সেক্সুয়ালিটি কে আর নিজের প্লেজার কে আরো ভিন্নতায় নিয়ে গেলো।


এখন, এই ভিন্নতা ও লিনিয়ার পর্যায়ে ঘটার কারন নেই, বরং প্রতিনিয়ত ভিন্ন ভিন্ন ভাবে বিবর্তিত হতে থাকল এবং হতে থাকবে।


আমরা এখন এমন একটা সোসাইটিতে দাঁড়িয়ে আছি আমাদের সেক্স প্লেজার এর জন্য পার্টনার খোঁজার দিন শেষ হবার শুরু হয়ে গেছে। নিউরাল পোর্ট কানেকশান এর মাধ্যমে নিজের পছন্দের পার্টনার এর সাথে মানসিক এটাচমেন্ট করা যাচ্ছে এখনই, ফিজিকাল পেনাইল ডিভাইস এ আই এর সাথে কানেক্ট করে রিদম আর থার্স্ট ক্যাল্কুলেট করতে পারছে হাজার মাইল দূরে থাকা ভ্যাজাইনাল পোর্ট যেটাকে ইউজ করছে বিপরীত ধর্মী দুই পার্টনার। এই টেকনোলজি নিয়ে কাজ হচ্ছে গত ২০ বছর ধরে এবং আগামী ৫-১০ বছরে কঞ্জিউমার লেভেলে চলে আসবে। এখনও আছে, পুরুষ এবং নারী দুজনের জন্যোই ব্বলুটুথ কানেক্টেড সেক্স ডিভাইস যাতে হাজার মাইল দূরে থাক্লেও একে অপরের সাথে সিংক করে প্লেজার পাওয়া যায়। নতুন টেকনোলজি এসে সেটাকে আরো উন্নত করবে।


এখন এই যে বিবর্তিত হওয়া, এটার সাথে হোমো বা সমকামীদের পুরুষে পুরুষে বা নারীতে নারীতে সেক্সুয়ালি বা মেন্টালি মিলিত হওয়াও অন্তভূক্ত। কে কার সাথে মিল্বে বা শুইবে বা বিয়ে করবে এটা একান্তই ব্যাক্তির নিজের ব্যাপার। এটাই ইন্ডিভিজুয়ালিজম।


এখন, সমকামীতে ভরে গেলে কি দুনিয়ায় মানুষ নাই হয়ে যাবে বাচ্চা জন্ম নিতে না নিতে? মানুষ নাই হবে বা জন্ম হার কমবে বাট সেটার জন্য দায়ী সমকামীতা হবেনা। সেটার জন্য দায়ী হবে ন্যাচার।

আগের দিনে আমার দাদার বাবার সন্তান ছিল ১৪ জন, আমার দাদার সন্তান মানে আমার আব্বারা ছিলেন ৯ জন, আমার আব্বার সন্তান মানে আমরা ভাই বোন ৪ জন, আমার নিজের সন্তান মাত্র একজন, আমার বোনের ও একজন, এবং আমার সন্তান কিংবা তার সন্তানের প্রজন্ম এই সন্তান নেয়ার সিস্টেম টাকেই ক্যান্সেল করে দিবে। এর সাথে আমাদের দুনিয়া নিজেও নিজেকে টিকিয়ে রাখার জন্য সন্তান কম নিতে ইকো সিস্টেম কে বাধ্য করবে। ফলে এক সময় জন্মহার কমে আসবে এবং মানব সভ্যতা বিলীন হবেই হবে। এই ব্যাপার ইনেভিটেবল , ঘটবেই বাট আজকে হবেনা আর কি। হয়ত কয়েক মিলিয়ন বছর পরে। বাট এই যে ফ্লো টা শুরু হল, এটা চলতেই থাকবে।


সমকামী হলে আমার আপনার সমস্যা কি? এটাতে আমার আপনার সমস্যা নাই, সমস্যা ধর্ম নামক আফিমের। ধর্ম পরিবর্তন চায়না। যেটা বলছে সেটাই করতে হবে। ইভেন ধর্ম নারী পুরুষ এর সেক্স পজিশান ও ঠিক করে দেয়। পেছন থেকে ডগি স্টাইল করা যাবেনা, গার্লস অন টপ করা যাবেনা, ওরাল সেক্স করা যাবেনা, নারীর সেক্স অর্গান এর দিকে তাকানো যাবেনা - মানে খালি চোখ বন্ধ করে মিশনারি পজিশানে ইজাকুলেট করাই ধর্মের আদেশ। ইভেন মাস্টারবেট করা যাবেনা, নিজের সেক্স অর্গান নিজে হাতে ধরে প্লেজার পাওয়া যাবেনা।


তো এই তালগাছ ধর্ম ভিন্নধর্মী কোন কিছু মেনে নিবেনা এটাই নরমাল , এবং আপনি তালগাছ ধর্মের ধারক ও বাহক এবং প্রচারক হিসেবে ধর্মের আদেশের বাইরে কোন কিছু মেনে নিতে পারবেন না তাও নরমাল।


সমকামীতা একটা ইন্ডিভিজুয়াল এক্ট, নিজের পারসোনাল মত। কে নিজের বেড্রুমে কাকে নিয়ে ঘুমাবে সেটা সভ্য সমাজে আপনি বা ধর্ম ঠিক করে দেয়ার কেউ না। আপনি যেমন আপনার বিয়ে করা নারীকে নিয়ে ঘুমানোর অধিকার রাখেন, আরেক জন তার বিয়ে না করা নারী কে নিয়ে ঘুমানোর অধিকার রাখে, আরেকজন পুরুষ কে নিয়েও ঘুমানোর অধিকার রাখে। কে কাকে নিয়ে ঘুমাবে এটা ঠিক করে দেয়ার আপনি আমি কেউ না। এটা একান্তই দুই জন এডাল্ট এর চিন্তা।


আমি কোথায় সমকামীতায়? না, আমি সমকামী না, হবার পসিবিলিটিও নেই কিংবা সমকামীতাকে দিয়ে নরমাল নারী পুরুষ সেক্সুয়াল সিটুয়েশান রিপ্ল্রেস হোক এমন ও চাইনা।


বাট কেউ যদি নিজ ইচ্ছায় আরেক এডাল্ট পুরুষের সাথে মিলিত হয়, বিয়ে করতে চায়, জীবন কাটাতে চায়- তার সে ইচ্ছাকে অবশ্যই সাপোর্ট দেই। এবং আমার মত করে দুনিয়ার সকল সভ্য মানুষ সাপোর্ট দেয় এবং দিবে। এই কারনে দুনিয়ার উন্নত দেশ গুলো ঠিকই সাপোর্ট দেয় এবং দিবে যারা দেয় নাই।


শেষে স্তান আছে এমন দেশ গুলা কখনোই সাপোর্ট দিবেনা যতদিন না নায়েবে ইসলাম ও মোসলমান দের আব্বা হুজুর সৌদে খাঙ্কায়ে নিজের দেশে এটা চালু না করে। তবে, আপনি লিখে রাখতে পারেন, মুসলিম দেশের মধ্যে সবার আগে সমকামী বিয়ে চালু করবে মক্কা মদীনার দেশ সৌদি আরব।


আমি সমকামী হোক বিষমকামী হোক আর কোন কিছু কামী না হোক- সকল ধরনের মানুষের অধিকার এর পক্ষে। তবে আমি এর বিপক্ষে লড়াই শুরু করব যখন এই সমকামী রা আমার পেছনে তাদের দন্ড প্রবেশ করার জন্য চেস্টা করবে কিংবা সমাজে এই সমকামীতা ঠিক বাকি সকল কামীতা ভুল এটা স্টাব্লিশ করার জন্য চেষ্টা করবে । ঠিক যেমন ভাবে আমি সকল মানুষের ধর্ম পালন করতে দেয়ার পক্ষে যতক্ষন পর্যন্ত না সে আমাকে তার ধর্মের আফিম খাওয়াতে চেষ্টা না করবে কিংবা এই আফিম খাওয়া খুব ভাল এটা প্রচার শুরু করে এবং এই আফিম বাদে বাকি সকল আফিম খারাপ এটা প্রচার করার চেষ্টা করে।


আপনার যেমন ধর্ম পালন করার অধিকার আছে, আরেক জনের আছে ধর্ম পালন না করার অধিকার, আপনার যেমন বিয়ে করে ধর্মের দেখানো পথে সেক্স করার অধিকার আছে, আরেকজনের আছে ধর্মের দেখানো পথে না চলে নিজের মনের মত জেন্ডার কে বেছে নেয়ার সেক্স করার জন্য। এই যে যতক্ষন পর্যন্ত না ক্ষতি না হয় ততক্ষন আরেকজনের ইচ্ছা এবং কাজকে মেনে নিতে হবে কিংবা তাকে বাধা দেয়া যাবেনা কিংবা তার বিরোধীতা করা যাবেনা- এটাই হল সভ্য হবার পথের ১ম পদক্ষেপ।


উন্নত দেশের ততোধিক উন্নত রামছাগলগুলোই এর ধারক বাহক । মূল ধারার সমাজে এসব কখনোই গ্রহনযোগ্যতা পাবে বলে মনে হয়না।

 মানুষের যা অধিকার তা মানবীয়। এরকম কাজ কখনোই মানুষের সামাজিক অধিকার হিসাবে বিবেচিতঝতে পারেনা।


 আচ্ছা, কেমন রুচি মানুষের মগজে ধরে না ! থু....


আপনার ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ এক জিনিস আর সায়েন্স অন্য জিনিস। আপনি বলেছেন যে পৃথিবীর যত জীব আছে তারা সবাই বিপরীত লিঙের প্রতিই শুধু আকর্ষিত। কথাটা ঠিক নয়। যদিও ইভ্যালুশনারি পার্সপেকটিভ থেকে মনে হতে পারে সমকামীতা ইলজিকাল, অনেক জীবই এই ট্রেট দেখায়ঃ "Homosexuality in nature" লিখে গুগল করুন, অনেক অনেক লেখা পেয়ে যাবেন।


মানুষের এ কেমন রুচি - এসব ভাবতে ভাবতেই ভাই জীবনের প্রতিও অরুচি এসে যায়।

 


সমকামীদের কথা চিন্তা করতে আমার একটা জায়গাতে ভিষণ ভয় করে।

ছেলে-মেয়েদের টয়লেট আলাদা করা হয় কেন? অনেক কারণের মধ্যে সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট এভয়েড করা। কিন্তু একটা পোলা যখন পোলাদের টয়লেটে গিয়ে আমার সাথে লাইন মারার ট্রাই করবে, তখন আমি কি করবো? আমি ছেলে হয়ে যদি ছেলেদের টয়লেটেই নিরাপদ না হই, তাইলে হবে ক্যামনে?

Homosexual
Homosexual


মানুষের এ কেমন রুচি - এসব ভাবতে ভাবতেই ভাই জীবনের প্রতিও অরুচি এসে যায় আর এখন আপনার এই মন্তব্যের পরেত ভাই টয়লেটে গেলেই এ কথা মনে পড়বে । শান্তিমত যদি টয়লেটও করা না যায় তাহলে কিভাবে কি করব - ভাবতেই কেমন লাগছে।


এদের জন্য আলাদা টয়লেট তৈরী এখন সময়ের দাবী।


- তাইতো দেখা যাচছে। পিংক কালার টয়লেট উইথ :P বেডপ্যান।

 আগে মেডিকেল সায়েন্সের চোখে বিষয়টার একটা ব্যবচ্ছেদ করি। এনাল ক্যানেলের পেকটিনেট লাইন নামের একটা জিনিস আছে, মানে এর উপরের ডেভেলপমেন্ট সব এন্ডোডারম থেকে আর পেকটিনেট লাইনের নিচের অংশের ডেভেলপমেন্ট একটোডারম থেকে মানে স্কিন যে টাইপের সেল সেটা থেকে। আরেকটা জিনিস মাথায় রাখা ভালো, মানুষের ডেভেলপমেন্ট কিন্তু মানুষেরই, এরসাথে অন্য প্রানীর তুলনা দেওয়া যাবে না। এখন, এই পেকটিনেট লাইনের নিচের অংশে অনেক রোগ হয় যেমন হেমোরয়েড, এনাল ফিসার, সাথে কিন্তু আরেকটা রোগ আছে - স্কয়ামাস সেল কারসিনোমা। আর এই এনাল স্কয়ামাস সেল কারসিনোমার কারন গুলো হচ্ছে - এইচ আই ভি, এইচপিভি, পুরুষের সাথে পুরুষের সঙ্গম। ব্যাপারটা আশা করি বুঝাতে পেরেছি। আর এই কারসিনোমা একবার হলে স্প্রেড হওয়া তার জন্য খুবই সহজ কারন সে সিস্টেমিক সারকুলেশনের মাধ্যমে অন্য জায়গায় দ্রুত চলে যেতে পারে। মেডিকেল সায়েন্সের আধুনিকতা সমকামিতা এক হিসেবে সমর্থন করে না।

আফগানিষ্তান, পাকিস্তান ও ইরানের শতকরা ১০০ ভাগ পুরুষ বাল্যকালে, কৈশোরে সমকামীর হাতে পড়েছে।


 বিকৃত রুচি আর বিকৃত ব্যবস্থা প্রকৃিতই টিকতে দেয়নি, দেবেও না।

সত্যি বিস্ময়কর লাগে- কিভাবে সম্ভব????

জঘন্য, ঘৃন্য, বিকৃত এক পদ্ধতি ক্রমশ বাড়ছে.. আশংকা জনক।

সমকামিতা হচ্ছে অতি আধুনিকতার একটা চেস্টা। কমন সেন্স থেকে বিচার করলেই এই জিনিসটার ব্যাপারে বোঝা যায় এটা মানুষ/সভ্যতার সাথে যায় না। পেডোফাইল অনেক মানুষ নিজেদের আকর্ষন যৌনতা ইত্যাদিকে স্বাভাবিক মনে করে ঠিক সমকামিতার মত। সহজ স্বাভাবিক মানবিক কামনা বাসনার সাথে এরা এইসকল বিকৃত কামিতাকে জুড়ে ফেলতে চাইতেছে। এইগুলা আসলেই কিয়ামত/মানব জাতির ধ্বংসের পথ ছাড়া কিছু না।


তবে আমি ওয়াক/ঘৃণা প্রকাশ করব না, নিজের মনের মধ্যেই রেখে দিব। কারণ বর্তমান আধুনিক সমাজ ব্যবস্থা পাপাচারকে প্রতিস্টিত করে ফেলেছে, এবং বিশৃংখলা/ফাসাদ থেকে বিরত থাকার পথ হিসেবেই আমি ঘৃণা প্রকাশ করছি না।


                                                                **************















Homosexual Marriage






facebook

page

seo

google

blog

blogger

blogspot

Book

news

learn

press

media

find out

Literary Agents

literature

religion

economics

politics

world

homosexuality

homosex

monosex

sex

homo sex

mono sex

male

female

partner

entertainment

dhaka

Post a Comment

0 Comments