Horror 1 liner story

                ভয় জাগানিয়া অল্প কয়েক বাক্যের গল্প




এক বা দুই বাক্য, তাতেই নামে ভয়ের হিমেল স্রোত!


১/ চারপাশে শুধু চিৎকার আর চিৎকার শুনতে পাই।

কিন্তু কিভাবে সেটা সম্ভব ?

আমিতো বধির - কানে শুনি না।


২/ ট্রাঙ্ক খুলতেই ভয়ে গা শিউরে উঠলো। বিভ্রান্ত লাগছে। যা দেখলাম তা বিশ্বাস করতে ইচ্ছা করছে না।

এটা কিভাবে সম্ভব ?

- গতকালকেই রাখলাম দুটো মৃতদেহ ! আর আজকে দেখছি একটা !!!!!


৩/ নতুন একটা লাইট লাগলাম। হাতে তালি দিলেই, লাইট জ্বলে আর নিভে।

প্রথম প্রথম ব্যাপারটা মজাই লাগছিল। এনজয় করছিলাম।

কিন্তু কয়েক মিনিট পর থেকে শুরু হলো সমস্যা !

যখনই আমি হাত তালি দিয়ে লাইট জ্বালাই, তখনই বিছানার নিচ থেকে হাত তালি দিয়ে কে জানি লাইট নিভিয়ে ফেলে !

Horror 1 liner story

৪/ এক মাসের ট্রিপ শেষ করে আবার চলে আসলাম ঢাকায়। কাল থেকে একাকী ব্যস্ত জীবনের শুরু।

ঘরে ঢুকেই চলে গেলাম গোসলে।

গোসল শেষ করার পর, বাথরুমে ঝুলানো টাওয়েলটা ইউজ করতে গিয়ে দেখি - সেটা আগে থেকেই ভেজা।

টাওয়াল কিভাবে ভিজবে ?

শেষ এক মাস তো আমি ঘরেই ছিলাম না

Horror 1 liner story

৫/ কলিংবেল বাজতেই দরজা খুললাম।

বাইরে পুলিশের এক লোক দাঁড়ানো।

আমাকে দেখেই পুলিশের লোক বললেন : আপনি কি মিসেস আব্দুস সামাদ ?

আমি বললাম : জি।

পুলিশটি বললেন: সরি ম্যাডাম একটা খারাপ খবর দিচ্ছি - আপনার স্বামী কিছুক্ষণ আগে সড়ক দুর্ঘটনাতে মারা গেছে।

কথাটা শুনে ভয়ার্তভাবে, পিছন ফিরে খাবার টেবিলের দিকে তাকালাম।


Horror 1 liner story

- গরম গরম বেড়ে দেওয়া ভাতের প্লেট নিয়ে সামাদের মুখে অদ্ভুত হাসি ,চোখগুলো যেন কোটর থেকে বের হয়ে আসছে।


৬/ আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে হাসি দেওয়ার পরও, আয়নাতে আমাকে হাসতে দেখলাম না।


[৭/ প্রতিদিন অফিস থেকে বাসায় আসতেই বাচ্চার হাসিমাখা মুখটা প্রথমে চোখে পড়ে।

আরো ভালো লাগতো - যদি বাচ্চার মুখের নিচের অংশটাও থাকতো ।


৮/ গাড়ি চালানোর সময় পিছনের আয়নাতে দেখতে পেলাম বন্ধু সুজন সিটে বসে বেঘোরে ঘুমাচ্ছে। বিরক্ত লাগছে এই ভেবে, শালাকে না কালকেই কবর দিয়ে আসলাম !


 

৯/ এতদিন ভাবতাম আমার বিড়ালটার নিশ্চয়ই কোন সমস্যা আছে ! এক দৃস্টিতে প্রায়ই আমার দিকে চেয়ে থাকে।

কয়েকদিন ভালভাবে লক্ষ্য করার পর বুঝতে পারলাম - বিল্লিটা আমার দিকে নয়, আমার পিছনে থাকা কারো দিকে চেয়ে থাকে !


১০ গ্রামের লোকেরা বলাবলি করে, জংগলে নাকি ভূত থাকে! ব্যাপারটা আমার কাছে হাস্যকর লাগে। কারণ জংগলে আমি ছাড়া আর কেউই থাকে না।


১১/ আমার বোন বললো, আম্মু নাকি ওকে মেরে ফেলেছে

আর আমার আম্মু বললো, আমার নাকি কোন বোনই নেই !


১২/ অনেক বছর পর মেহেদীর সাথে দেখা। চুটিয়ে গল্প হল অনেকক্ষণ। রাতে খাবার টেবিলে ছোট ভাইকে মেহেদীর সাথে দেখা হওয়ার ব্যপারটা জানানোর পর, ছোট ভাই ভয় পেয়ে ভীত কন্ঠে বললোঃ মেহেদী ভাইতো ৫ বছর আগে রোড এক্সিডেন্টে মারা গিয়েছে।


১৩/ অফিস থেকে বাসায় যাওয়ার সময়, রাস্তার এক ভিক্ষুক আমার পথ রোধ করে পেপার পড়তে দিল। পেপারের দিকে তাকিয়ে দেখলামঃ সেটাতে আগামীকালের তারিখ দেওয়া। আরও ইন্টারেস্টিং ব্যপারঃ পেপারের হেডলাইনে ভিক্ষুকের হাতে আমার খুন হওয়ার খবর!!


 

১৪/ মেকাপ ঠিক করতে আয়নার দিকে তাকাতেই শাহানা লক্ষ্য করলো, আয়নাতে ওনার কোন প্রতিচ্ছবি নেই।


১৫/ প্রচন্ড ক্লান্ত। শরীরটা বিছানায় এলিয়ে দিতেই রাজ্যের ঘুম জেঁকে বসল।

হঠাৎ কানের কাছে ফিসফিসিয়ে কে জানি বলে উঠল: টেবিলে খাবার বাড়া হয়েছে ! খেতে আসুন।

বুক ধক করে কেঁপে উঠল !

- ওই ফ্ল্যাটেতো আমি লাস্ট ২ বছর ধরে একা থাকি !


১৬/ বাচ্চাকে ঘুম পাড়াচ্ছিলাম। বাচ্চাটা ভীত কণ্ঠে বললো: মা, আমার বিছানার নিচে যেন কি !

বিছানার নিচে উঁকি দিতেই, আমার বাচ্চার মতো দেখতে আরেকটা বাচ্চা কান্না কণ্ঠে বলতে লাগলো: মা, আমার বিছানার উপরে জানি কি !!


• সে আমার কাঁধে তার হাত রাখল। কিন্তু খেয়াল করলাম তার দেহটা রয়েছে হ্রদের অন্য পাড়ে।


• বাথটবের জল যাওয়ার গর্ত থেকে ভেসে এল আমার ছোটবেলার প্রিয় বন্ধুটির কণ্ঠস্বর— “তুমি আমায় বিশ্বাস করতে পার।”


• বিশ্বাস করুন, আমার মনে হচ্ছিল, সে আমার দিকে ড্যাব ড্যাব করে তাকিয়ে আছে। যদিও তার মুখমণ্ডলে চোখের কোনও চিহ্নই ছিল না।


• মেয়েটি তার পান্নাসবুজ মায়াময় চোখ দিয়ে আমার দিকে চেয়ে রইল আর আমি টের পেলাম আমার পা থেকে কোমর পর্যন্ত পাথরে পরিণত হয়েছে।


• সেই চওড়া হাসিটা প্রথমে তার এ কান থেকে ও কান পর্যন্ত বিস্তৃত হল, তার পরে তা ছড়িয়ে গেল এ দেওয়াল থেকে ওই দেওয়ালে।


• লিফ্‌টের দরজা দু’দিক থেকে আমার শরীরকে চেপে ধরল, কিন্তু সেখানেই শেষ নয়, ক্রমে পাল্লা দু’টি থেকে বেরিয়ে এল ধারালো দাঁতের সারি।


• আকারে আয়তনে সে বিকট রকমের বড়, তার নীল চোখগুলোর দৃষ্টি আমার ভিতরে তীব্র ভাবে বিঁধতে লাগল, কিন্তু তার অগুনতি হলুদ চোখ ছিল নির্বিকার।


• নোয়া তার নতুন পোশাকটি পরতে গিয়ে দেখল তা তার চামড়ার সঙ্গে লেগে যাচ্ছে, একটু খাটো হচ্ছে যেন মাপে। কিন্তু নোয়া নিশ্চিন্ত, এক মহিলার গা থেকে খুলে নেওয়া এই ছাল কিছু ক্ষণের মধ্যেই তার শরীরের মাপসই হয়ে যাবে।


• রোলার কোস্টারটি যখন তার ট্র্যাকের একেবারে চূড়ায় পৌঁছেছে, তখন ল্যাকলান লক্ষ করল তার পাশের মহিলাটি ক্রমাগত বুকে ক্রস আঁকছেন। মনে মনে হেসে সে তাকাল সামনের দিকে... ট্র্যাকের লাইন ভেঙে রয়েছে সামনেই।


• দোকানের ম্যানেকুইনগুলিকে পোশাক পরাতে গিয়ে হঠাৎই আলোন্সো চমকে উঠল। সে টের পেল একটি ম্যানিকুইন ডুকরে কাঁদতে শুরু করেছে।


• মৃত পশুকে সংরক্ষণের কাজ নোম ভালই জানে। এ কাজ শেখানোর জন্য সে তার বাবাকে ধন্যবাদও দেয়। তার ছোটবেলা থেকে আজ পর্যন্ত পোষা প্রাণীদের সে অবিকল রেখে দিয়েছে। তাদের দিকে তাকালেই তার মনে পড়ে, সে কী ভাবে তাদের একে একে হত্যা করেছিল।


• যখন তার পুতুল জোলেট তাকে সজোরে জাপটে ধরেছিল, সেই ছোটবেলাতেই আভা টের পেয়েছিল, কী ভয়ানক সেই অভিজ্ঞতা। তার পর জোলেটকে সে সাবধানে পুঁতে রেখেছে, যাতে কখনও কাউকে পুতুলের আলিঙ্গনে না পড়তে হয়।


• চিমনির ভিতর দিয়ে কিছু একটা নেমে আসছে ক্রিসমাসের রাতে। ‘সান্তা ক্লজ’ বলে উল্লাসে চেঁচিয়ে উঠল ছোটরা, মরিস তার স্ত্রীকে ফিসফিস করে বলল— “বন্দুকটা দাও তো।”


• তার পেটের ভিতর বেড়ে ওঠা মাংসপিণ্ডটি ক্যানসার কি না, জানার জন্য আলট্রাসাউন্ডের ফলাফল দেখতে চাইল জ্যাকসন। চিকিৎসকরা জানালেন, মাংসপিণ্ডটি মাঝে মাঝেই গর্জন করে উঠছে।

                                                                XXXXXXXXXXXXXX































horror bangla
bangla horror
thriller
horror

facebook
page
seo
google
blog
blogger
blogspot
Book
news
learn
press
media
find out
Literary Agents
literature
religion
economics
politics
world
bengali
bangladesh
dhaka
entertainment

Post a Comment

0 Comments