Socialist Economy

                         Socialist Economy



                                        সোস্যালিষ্ট অর্থনীতি

 সোস্যালিষ্ট অর্থনীতিতে উৎপাদন ও উন্নয়নের জন্য দরকারী সব উপকরণ (ক্যাপিটেল, শ্রম, কাঁচামাল, ম্যানেজমেন্ট ) রাষ্ট্র, তথা সাধারণ মানুষের হাতে থাকে; ফলে, উৎপাদন থেকে যেটুকু লাভ হয়, সেটুকুকে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান-উন্নয়নে বিনিয়োগ করা হয়। বর্তমানে আমাদের জাতিতে যেইটুকু লাভ হয়, উহা বসুন্ধরা, বেক্সিমকো, খুলনা পাওয়ার, শিকদার ব্রাদার্স, প্রশাসন, রাজনীতিবিদরা ও মাফিয়ারা নিয়ে যায়, মানুষ পায় না।


সামজতান্ত্রিক অর্থনীতিতে শিক্ষা ফ্রি, বেকারত্ব নেই, সবার জন্য থাকার মতো ঘর থাকে, সবার জন্য ফ্রি চিকিৎসা; এগুলো করার জন্য সরকার কোথা থেকে এত সম্পদ পেয়ে থাকে? আজকের বাংলাদেশে গড়ে অর্ধেক মানুষের চাকুরী/কাজ আছে, তাতে সরকার বছরে গড়ে ৫০ বিলিয়ন ডলারের বাজেট করছে ও ৪৫ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভে রেখেছে; যদি সবাই চাকুরী করতো, কত টাকার বাজেট করতে পারতো সরকার? সবাই কাজ করলে, আমাদের মুদ্রা 'হার্ডকারেন্সীতে' পরিণত হতো, রিজার্ভ রাখার দরকার হতো না।

Socialist Economy

আমাদের সরকার ৫০ বিলয়ন ডলারের বাজেট করছে; কারণ, সরকারের আয় গড়ে ৫০ বিলিয়ন ডলারের মতো; কিন্তু সরকারের লোকেরা কত বিলিয়ন 'চুরি' করছে, ধনীরা কিভাবে ট্যাক্স ফাঁকি দিচ্ছে, কত পরিমাণ মানুষ ট্যাক্স দিচ্ছে না? ব্যবসায়ীরা 'ঋণের' নামে আমাদের জাতির কি পরিমাণ 'ক্যাপিটেল ডাকাতী' করছে?

Socialist Economy

সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি ছাড়াও বাংলাদেশের সবাইকে ফ্রি পড়ানো সম্ভব হতো; কিন্তু আপনি কি তা চান? আপনি নিজেই তা চাননি। তা'ছাড়া আমাদের ব্যুরোক্রেটরা কি তা চায়? আসলে, প্রতিটি বাংগালী চান যে, তাদের পরিবারের লোকেরা সবচয়ে বেশী শিক্ষিত হোক, প্রতিবেশীর সন্তানেরা যেন, একটু কম শিক্ষিত হয়।


ফরাসী বিপ্লবের (১৭৮৯ - ১৭৯৯) আগে পৃথিবী ছিলো রাজতন্ত্রে; পুরো রাজ্য ও তার থেকে সকল আয় ছিলো রাজার; রাজারা প্রজাদের জন্য কতটুকু ব্যয় করতো? ফরাসী বিপ্লবের ফলে, সম্পদ রাজার হাত থেকে চলে যায় নতুন শ্রেণীর হাতে, ব্যবসায়ীদের হাতে; ওরাই আজকের আমাজন, মাইক্রোসফট, আলীবাবা, ব্যাংক অব আমেরিকা, বেক্সিমকো, বসুন্ধরা, টাটা, বিড়লা। প্রতি জাতিতে ৫% মানুষ জাতির ৯০ ভাগ সম্পদ দখল করে রেখেছে, তাদের কাছে পুরো জাতি জিম্মি।


করোনার ফলে চীন ১ জন লোকেরও চাকুরী যায়নি, আমেরিকায় ৪ কোটী লোকের চাকুরী চলে গিয়েছিলো, ভারত জানেও না কত কোটীর চাকুরী/কাজ চলে গেছে; বাংলাদেশে করোনা কি ক্ষতি করেছে, আপনি কোনদিন বসে তা হিসেবে করার চেষ্টা করেছেন? করেননি।

Socialist Economy

সোস্যালিষ্ট অর্থনীতি বুঝতে হলে, সাধারণ অর্থনীতি, ফাইন্যান্স ও পলিটিক্যাল ইকোনোমীতে আপনার কিছুটা জ্ঞান থাকতে হবে; এরপর আপনাকে 'ক্যাপিটেলিষ্ট' অর্থনীতি বুঝতে হবে; তখন আপনি বুঝতে পারবেন, কেন মানুষ বেকার থাকে, কেন সবাই শিক্ষার সুযোগ পায় না, কেন মানুষ স্ত্রী ফেলে আরবে উট চরায়, কেন মানুষ কমলাপুর ষ্টেশনে বাচ্চা প্রসব করে, কেন একজন মহিলা জীবনে একবারও কোন গাইনী ডাক্তারের কাছে যেতে পারেনি, কেন আজো আপনি ডেন্টিষ্টের কাছে যাননি, কেন আপনার বাচ্চার সমবয়সী একটি কিশোরী রাতে ঢাকার রাস্তায় ঘুমায়, কেন সে গর্ভ-ধারণ করে? তখন যদি আপনি ইহার সমাধান খুঁজেন, আপনি অন্য ধরণের অর্থনৈতিক নিয়ম নিজের থেকেই বের করতে পারবেন, কিংবা কার্ল মার্ক্সের দেয়া কিছু নিয়ম কানুনকে কাজে লাগাতে পারবেন।নিন্মস্তরের জন্য সান্তনা ধর্ম;ওরা ভাবে উপরের স্তরের জন্য মুত্যুর পর কঠিন বিচার হবে। দুই স্তরের সমন্বয়ের জন্য " আফিম" বলা কার্ল মাক্স ভেবেছেন ;বই লিখেছেন।প্রজন্মান্তর মানুষ ভুলে যাবে সোসালিজম" বলে কিছু ছিল;ইতিহাসের বিপ্লবের পাতায় ধুলো জমবে;মানুষ সময়ের ব্যবধানে অমানুষ হবে প্রচুর। এই অবস্হা হয়েছিলো রাশিয়ায়, চীনে; তারা পথে খুঁজে বের করেছিলো, কার্ল মার্ক্সের পথ।

Socialist Economy

দেশের কতভাগ মানুষ সোস্যালিজম চায় ; ১০০ বছর আগের মানুষের ভাবনায়, বর্তমানের মত প্রভাব ছিলো না। বেশিরভাগ রাশিয়া, চীনের বর্তমান অবস্থা নিয়ে জানতে গেলে হতাশ হয়ে পড়ে, চীন কিছুটা কম হারে বাংলাদেশের তুলনায় ধনী প্রসব করছে। আমাদের মানুষ কখনো চীন বা রাশিয়ার সমান ছিলো শিক্ষায় কিংবা জীবনযাত্রার মানানুসারে? আমাদের ব্যুরোক্রেটরা মানুষের ভালো চায় বলে আপনার মনে হয়? আমাদের শিক্ষকেরা চেয়েছিলো দেশের প্রতিটি মানুষ শিক্ষিত হোক? দেশের মানুষ প্রকৃতির মত ভাবতে পারে না কেন? প্রকৃতির অর্থনীতিতো অনেক দূর; মানুুষের ভাবনা পরিবর্তিত করা যায় না খুব একটা। দেশের মানুষ শিক্ষিত হয়ে বিপ্লব করবে? মুক্তিযুদ্ধে শিক্ষিতের হার কত ছিলো?মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে; জাতীয়তাবাদের নিয়ামকগুলো সহজে চোখে পড়ে, অর্থনীতি হলো ধারণা, জ্ঞান ও ভাবনার বিষয়। কার্ল মাক্স নিজের তত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য কি করেছিলো? উনি বই লিখে ততকালীন সমাজকে জানায়েছেন যে, ক্যাপিটেলিজম থেকে ভালো অর্থনৈতিক তত্ব ও ভাবনা আছে। চীনে ফ্রি শিক্ষা আর নেই । ২০০৭ সালে কারো জন্য চেষ্টা করে জানতে পারলাম শিক্ষা খরচে চীন আমেরিকা তফাত নেই । কর্ম সংস্থান করে মানুষের অভাব দূর করলেই অনেক সমস্যার কিছুটা সমাধান হবে । আমাদের পাটকল বন্ধের পর কি হয়েছে জানিনা । ৯১ সালে চীন কোন পাট উৎপাদন করত না । ঐ বছরেই বিশ্ব পাট সন্মেলন করে আর পাটের বীজ নিয়ে চীন আজ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎপাদক । ওরাই পাট বেচবে আমাদের কাছে দুদিন পরে । এসব মার্কসিয় বুদ্ধিতে হয়নি , ভাবুন একবার কেন তারা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির ধারক । ১৯৯০ সাল থেকে চীনের সোস্যালিষ্ট অর্থনীতি জাতীয়তাবাদী ক্যাপিটেলিজমের দিকে মোড় নিচ্ছিলো। চীনে বিপ্লব হয়েছিলো ১৯৪৮ সালে। চীন যেখানে শুরু করেছিলো আমাদেরকে সেখানে যাওয়া লাগবে না; আমরা বর্তমান অবস্হা থেকে শুরু করতে পারি। আমাদের বর্তমান সিষ্টেম মানুষকে দাস বানায়ে ফেলেছে; মানুষ স্ত্রী-পরিবার ফেলে আরব, মালয়েসিয়া যেতে বাধ্য হচ্ছে। সোভিয়েত ইউনিয়নিয়নের কমিউনিজম আর নর্ডিক কান্ট্রির সোশ্যালিজম সিস্টেমের ভেতরে অনেক পার্থক্য আছে। বাংলাদেশের মানুষকে ইহা বোঝানো সম্ভব নয় । আমি আমার দেশী ইঞ্জিনিয়ার ফুপাকে ঝাড়া একঘন্টা বুঝানোর চেস্টা করেছি যে নর্ডিক দেশ গুলোতে একজন ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার মাস শেষে যে টাকা ঘরে আনেন তার সমপরিমান টাকা একজন টেক্সি ড্রাইভার এবং একজন ক্লিনার ও আনেন। তাদের ইনকাম হয়তোবা ভিন্ন কিন্তু মাস শেষে ট্যাক্স এর পরিমান ও সরকারী সুযোগ সুবিধার পরিমানে দুজনেই সমান স্টেন্ডার্ড অফ লিভিং এনজয় করেন।এই কারনে একজন ক্লিনার ও মার্সিডিজ গাড়ি কেনার স্বপ্ন দেখতে পারেন। একটি বাড়ি কিনতে পারেন। এবং মাথা উচু করে সমাজে কথা বলতে পারেন। একজন পেইন্টার মনের আনন্দে ছবি আকতে পারেন। তাকে খাওয়া পড়ার চিন্তা করতে হয় না।আমার ফুপা আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন তাহলে এত কস্ট করে মানুষ ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হয় কেন ?? তাকে কে বুঝাবে যে এখানকার মানুষ আমাদের মত টাকা নিয়ে চিন্তা করে না তাই ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হয় না , যার যা প্যাশন সে তাই পড়ে । যে দেশের মানুষ আসমানী কিতাব মুখস্ত করাকে শিক্ষার অংশ বলে মনে করে , তালেবান এর আফগানিস্তান কে মনে করে আসল জিনিশ তাদের কাছে কথা বলা আর উলুবনে মুক্তা ছড়ানো সমান কথা

পাটকল, যাতায়াত, ভুমি, কনষ্ট্রাকশান, মাফিয়াদের হাতে; সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতিতে এরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাবে। পাটকলে কাজ করে মানুষ পরিবার চালাতে চয়, মাফিয়ারা কাজই করতে দেয় না। তাজউদ্দিন সাহেব ফাইন্যান্স বুঝতেন বলে মনে হয় না, শেখ সাহেব এসব শব্দ শুনেছেন বলে আমার মনে হয় না; সাইফুর রহমান, কিবরিয়া ও মুহিত ছিলেন গাধা; এখনযেটা আছে, উহা ক্রিকেটের লোক। নতুন দেশ পাবার পর বাঙালীর যা হওয়ার কথা তাই হয়েছে যা ৫০ বছরের প্যার্টানৈ স্পষ্ট;ক্যাপিটালিজম বিবর্তনের মধ্য দিয়ে গিয়ে সাধারন মানুষের জন্য সুফল বয়ে আনুক এটাই আশা;যে দেশের ৭০ ভাগ লোক সোস্যালিজম বুঝে না, ঐ দেশে আবার কিসের সোস্যালিজমের অমৃত সুধা পান করানো। লেনিন ও মাক্সের মধ্যে সোস্যালিজম ভালো বুঝে কে ? মালয়েশিয়া ও আরবে মিলে মোটামুটি ৮৫ লাখ স্ত্রী পরিবার পেছেন ফেলে বিদেশে চাকুরী করছে; আপনি ২/৪ বছর স্ত্রীকে দেশে রেখে বিদেশে চাকুরী করুন, তখন হয়তো বুঝতে পারবেন। লেনিন ইহাকে কার্যকরী কেছিলেন, মার্ক্স উহা লিখেছিলেন; লেনিন ভালোভাবে বুঝেছিলেন। চিন্তাটি ভালো কিন্তু বাস্তবায়নের কোন পথ বলে দেয়া নাই।বাস্ত বায়নের চিন্তা এক এক জনের একের রকম এবং এই জন্যই পার্টি গুলি বহু ভাগে বিভক্ত।সুইডেন, নরওয়ে, ডেনমার্কে মাফিয়া নেই বললেই চলে। লেনিনের মতো নেতৃত্ব দেয়ার মতো নেতা আসলে বাংলাদেশও সমাজতন্ত্র হবে।নেতৃত্বের দুর্বলতাই প্রধান সমস্যা। অবস্হা মানুষকে পথ খুঁজতে বাধ্য করবে; আমাদের জাতি সায়েন্স, টেকনোলিজী, ইকোনোমি ও রাজনীতির মত বিষয়গুলোতে ভালো করছে না। ইসলামী অর্থনীতির সংজ্ঞা ও মূলনীতি নামে একটা বই আছে।বইটি আমি কয়েক পাতা পড়েছি। ওগুলো ফালতু

আপনিও পড়ালেখার জন্য বিদেশ যেতে চাচ্ছেন; চীন, রাশিয়ার কেহ বাংলাদেশে পড়তে আসবে? দেশে এখন ৩৪ লাখ ৫০ হাজার শিশু শ্রমের সাথে জড়িত। এদের মধ্যে ১২ লাখ ৮০ হাজার শিশু ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত। শিশু শ্রমিকদের ৩০ শতাংশই পরিবারের আয়ে সহায়তা করতে এই কাজে নেমেছে। মোট শিশু শ্রমিকের ১২.৮ শতাংশই সিটি করপোরেশন এলাকায়। সমাজতান্ত্রিক সমাজে ২২ বছর বয়স অবধি পড়ালেখা করতে হয়।

সমাজতান্ত্রিক ধাঁচের কল্যানমুলক রাষ্ট্রগুলোতে ট্যাক্স কাঠামো অনেক এগ্রেসিভ। কিন্তু ওই সকল রাষ্ট্রের উচ্চ ও মধ্য আয়ের জনগোষ্ঠী সেটাকে মেনে নেয় এই যুক্তিতে যে তাদের কষ্টার্জিত অর্থের এই বিশাল অংশ সরকার অবকাঠামো ও জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করছে যার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ উভয় প্রভাবই অপরিসীম। নরওয়ের একজন হতোদরিদ্র ব্যক্তির মৌলিক চাহিদাগুলো রাষ্ট্র দেখাশোনা করে বলেই সে বেপরোয়া হয়ে ছিনতাই, রাহাজানিতে জড়িত হতে আগ্রহী হয় না। উন্নত দেশগুলোতে কৃষি ও দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনকারীদের যে সাবসিডি প্রদান করা হয় তা সমাজতন্ত্রের রাষ্ট্রগুলোর সাথে প্রতিযোগিতার কারণেই গ্রহণ করা হয়েছে এবং এখনো তা বজায় আছে। এই সাবসিডির প্রভাবে উৎপাদনকারী ও ভোক্তা উভয়েই এর সুফল ভোগ করেন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার মাধ্যমে।

বাংলাদেশে সমাজতন্ত্র তো দূরের কথা কল্যানমুলক অথবা মিশ্র অর্থনীতিই জনগণ গ্রহণ করবে না। এর প্রধান কারণ রাজনৈতিক নেতৃত্বের সততার উপর বিশ্বাসের অভাব। এছাড়া জনগণের স্যাক্রিফাইস করার মানসিকতার অভাব আর একটি সিস্টেমের ফলাফল আসার জন্য যে সময়ের প্রয়োজন সেই সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করার ধৈর্যের অভাব তো রয়েছেই। আমরা সব সুযোগসুবিধা মুফতে পেতে আগ্রহী কিন্তু নিজের ব্যক্তিস্বার্থ এক ফোটাও ছাড় দিতে রাজি নই।১৯৭২ সালের বাংগালীরা বড় পরিবর্তনের জন্য অপেক্ষা করেছিলেন, কিছুই ঘটেনি; তারপর থেকে বাংগালীরা হতাশ হয়ে গেছে।

সমাজতন্ত্রে টাকার মত শ্রম ভাউচারের একটা ব্যাপার আছে বা ধারণা আছে। সেই ভাউচারের মাধ্যমে ভোগ্যপণ্য ও সেবা পাওয়া যাবে কিন্তু সেটাকে টাকার মত পুঁজিতে রূপান্তরিত করা যাবেনা। এই ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানেন কি?আইন্সটনের মত বিজ্ঞানীও সোশালিস্ট ধারণাকে সমর্থন করে গিয়েছেন। ভাউচার ইত্যাদি মুদ্রার বদলে ব্যবহৃত হয়ে থাকে, ইহা সোস্যালিজমের ব্যাপার নয়, ইহা "মানি"র বিকল্প।


                                             

                                                      *****************


















facebo













ok

page

seo

google

blog

blogger

blogspot

Book

news

learn

press

media

find out

Literary Agents

literature

religion

economics

politics

world

Current affairs


current world


Socialist Economy

Economy


Bangladesh



Post a Comment

0 Comments