No More Religious Abuse Please !
| No More Religious Abuse Please ! |
কথায় কথায় ধর্মকে গালি ও উপহাস করবেন না
ধর্মীয় উগ্রবাদ ও সংখ্যালঘুদের উপর অনাকাংখিত হামলার জন্য যে কোন ধর্মকে গালাগালি করা বা ধর্মকে দোষারোপ করা বন্ধ করুন।
১। মুসলমানদের মধ্যে একদল বিপথগামী, উগ্র চিন্তার জঙ্গী ও সন্ত্রাসী দেশে দেশে আত্মঘাতি বোমা হামলাসহ মানুষ হত্যা, অন্য ধর্মের মানুষের উপর আক্রমন করছে ও করে আসছে। এর জন্য তারা ও তাদের দোসররা দায়ী। পুরো মুসলিম জাতি ও ইসলাম ধর্ম দায়ী নয়। ইসলাম তার নাম নিয়ে কোথায়ও কোন দেশে আগ্রাসন চালাচ্ছে না, ইসলাম কায়েম করার জন্য মক্কা থেকে ফতোয়া দিয়ে কাউকে হত্যা করছে না। ইতিহাসে ইসলাম কোন গণহত্যা চালানোর ইন্ধন দেয়নি। কতিপয় পথভ্রষ্ট মুসলমানের জন্য ইসলামের বিরুদ্ধে ঢালাও মন্তব্য ও উস্কানি প্রদান বন্ধ করুন। তালিবান মানেই ইসলাম নয়, তাদের বা কারো কাজের জন্য ইসলামকে গালি দেয়া মানা যায় না।
| No More Religious Abuse Please ! |
কথায় কথায় ধর্মকে গালি ও উপহাস করবেন না
২। হিন্দুদের মধ্যে উগ্রবাদী ও জঙ্গী মনোভাবাপন্ন বহু মানুষ আছে। তারা প্রতিবেশি একটি দেশে মুসলমান ও খৃষ্টানদের উপর অনেক অন্যায়, অত্যাচার করছে। কিন্তু এর জন্য হিন্দু ধর্মকে কেউ দোষারোপ করবেন না। হিন্দু ধর্ম কোন দেশে আগ্রাসন চালিয়ে ধর্ম প্রতিষ্ঠার নামে মানুষ হত্যা করেনি।
| No More Religious Abuse Please ! |
৩। জুডাইজম ও জায়নিজম দু’টি আলাদা জিনিস। ইহুদীরাও আল্লাহ’র রাসুলের উম্মত। তাদের বেশিরভাগই অত্যন্ত ধর্মভীরু। লন্ডনসহ বহু নগরীতের তারা ফিলিস্তিনীদের সমর্থনে ও জায়নিজমের বিরুদ্ধে মিছিল করেন। তাই উগ্রবাদী জায়নিজমের জন্য ইহুদী ধর্মকে গালি দিবেন না।
৪। ক্রসেডের পর কখনো খৃষ্টান ও মুসলমান ধর্মকে নিয়ে বা ভিত্তি করে যুদ্ধ করেনি। খৃষ্টানরাও ধর্মকে কেন্দ্র করে কোন যুদ্ধ করছে না। যদিও তাদের মধ্যে বহু উগ্রবাদীর জন্ম হয়েছে। ইউরোপ, আমেরিকায় এরা এখন শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। কিন্তু এর জন্য ঈসা নবীর অনুসারী পুরো খৃস্টান জাতি দায়ি নয়। খৃষ্টান ধর্ম দায়ী নয়।
৪। পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি মানুষ হত্যা করেছে ধর্ম বিরোধী কমিউনিস্টরা। তৎকালীন সোভিয়েত রাশিয়াতে লেলিন, স্ট্যালিন প্রায় পাঁচ কোটি মানুষ হত্যা করেন। নিরীহ নাগরিকদের যেকোন ছুতোতে সাইবেরিয়া পাঠিয়ে প্রচন্ড ঠান্ডায় মেরে ফেলা হয়, শ্রম শিবিরে কাজ করানো হয় অর্ধবেলা খাইয়ে। রাশিয়া পোল্যান্ডেও কাতিন হত্যাকান্ড ঘটায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়। কেজিবি’র উত্তরসুরী এনকেভিডি কথায় কথায় রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার নামে লাখ লাখ মানুষকে স্রেফ গুলি করে মেরেছে। শত শত মাইল হাটিয়ে নিয়ে গিয়ে হত্যা করেছে শিশু, বৃদ্ধ, নারীদের। স্ট্যালিনের গদি ঠিক রাখার জন্য তাতার, কসাক জাতির লাখ লাখ মানুষকে শুধু হত্যাই করা হয়নি, তাদের পরিবারকে বিচ্ছিন্ন করেছে। পিতাকে দেশের এক কোনে, মা’কে আরেক জায়গায়, শিশু সন্তানকে অন্য স্থানে নিয়ে ছড়িয়ে দিয়েছে। এভাবে কোটি কোটি পরিবার তাদের নিকটাত্মীয়দের আর কখনো খুঁজে পায়নি। এই সোভিয়েতরা কোন ধর্ম মানতো না। তারা ছিল সৃষ্টিকর্তায় অবিশ্বাসী। এদের কথা কি কেউ উল্লেখ করে নাস্তিকদের ঢালাওভাবে দোষারোপ করছে?
| No More Religious Abuse Please ! |
না। কারন, নাস্তিকদের সবাই খারাপ নয়।
কথায় কথায় ধর্মকে গালি ও উপহাস করবেন না
৫। চীনে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের পর প্রায় চার কোটি মানুষ হত্যা করা হয়েছে সমাজতন্ত্রের নামে। কই কেউ তো তাদের টিকিটিও ছিড়ছে না।
তাই কথায় কথায় ধর্মকে (যে কোন ধর্ম) দোষারোপ করা বন্ধ করুন। উস্কানি দেয়া প্রতিহত করুন। হুজুগ সৃষ্টি পরিহার করুন।
বুদ্ধিজীবীদের কাছে আমার প্রশ্নঃ
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু কে করেছে?
তারা কি মুসলিম ছিলো?
কে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু করেছে?
তারা কি মুসলিম ছিলো?
জাপানে হিরোশিমা নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলা কারা করেছিলো?
তারা কি মুসলিম ছিলো?
ইতিহাসে সর্বোচ্চ মানব হত্যাকারী:
১। হিটলার, একজন অমুসলিম । ৬০ লক্ষ ইহুদি হত্যা করেছিলো। মিডিয়া একবারও তাকে জঙ্গি বলেনি সে খৃষ্টান টেররিস্ট।
২। জোসেফ স্ট্যালিন একজন অমুসলিম। সে ২০ মিলিয়ন মানুষ হত্যা করেছে, এবং ১৪. ৫ মিলিয়ন মানুষ অসুস্থ হয়ে ধুকে ধুকে মারা গেছে। মিডিয়া একবারও তাকে বলেনি সে খৃষ্টান টেররিস্ট।
৩। মাও সেতুং একজন অমুসলিম। ১৪ থেকে ২০ মিলিয়ন মানুষ হত্যা করেছে ! মিডিয়া একবারও তাকে বলেনি সে বৌদ্ধ টেররিস্ট।
৪। মুসলিনী (ইটালী) ৪ লাখ মানুষ হত্যা করেছে! অন্ধ মিডিয়া একবারো বলে নাই খৃষ্টান টেররিস্ট।
৫। অশোকা (কালিঙ্গা বেটল) ১ লাখ মানুষ হত্যা করেছে ! মিডিয়া একবারও তাকে বলেনি সে হিন্দু টেররিস্ট।
৬। আর জজ বুশ ইরাকে, আফগানিস্থানে প্রায় ১.৫ মিলিয়ন মানুষ হত্যা করেছে ! মিডিয়া তো বলে নাই, খৃষ্টান টেররিস্ট।
৭। অংসং সুচির মায়ানমার এখনো প্রতিদিন মুসলিম রোহিঙ্গাদের খুন, ধর্ষণ, লুটপাট, উচ্ছেদ করছে ! তবুও কোনো মিডিয়া বলে না বৌদ্ধরা টেরোরিস্ট।
৮। যারা আমেরিকা আবিষ্কারের পর নিজেদের প্রভাব বিস্তারের জন্য উত্তর আমেরিকাতে ১০০ মিলিয়ন এবং দক্ষিন আমেরিকাতে ৫০ মিলিয়ন রেড-ইন্ডিয়ানকে হত্যা করেছিল, তারা কি মুসলিম ছিল?
৯। যারা অস্ট্রেলিয়া আবিষ্কারের পর নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের জন্য ২০ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান আদিবাসীকে হত্যা করেছিল, তারা কি মুসলিম ছিল?
১০। যারা ১৮০ মিলিয়ন আফ্রিকান কালো মানুষকে কৃতদাস বানিয়ে আমেরিকা নিয়ে গিয়েছিল। যাদের ৮৮ ভাগ সমুদ্রেই মারা গিয়েছিল এবং তাদের মৃতদেহকে আটলান্টিক মহাসাগরে নিক্ষেপ করা হয়েছিল, তারা কি মুসলিম?
ইতিহাস সাক্ষী পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে বড় বড় গনহত্যা করেছে নন মুসলিমরা আর এরাই দিন রাত গণতন্ত্র জপে মুখে ফেনা তুলে। অথচ এদের দ্বারাই মানবতা লুন্ঠিত।
অথচ বলা হয় ইসলাম এবং মুসলমানরা পৃথিবীতে সহিংসতা ও সন্ত্রাসবাদের কারণ।
সন্ত্রাসবাদ বা জঙ্গীবাদের সূচনা মুসলিমদের দ্বারা হয়নি অথচ সংজ্ঞায়িত করা হচ্ছে ।
এসব মহাসন্ত্রাসী ও অমানবিক কার্যকলাপের সাথে মুসলমানরা কখনো জড়িত ছিলনা।
যখন কোন অমুসলিম কোন খারাপ কাজ করে, নির্যাতন করে, খুন করে তখন এটাকে বলা হয় অপরাধ আর মুসলিমরা করলে সন্ত্রাস।
আর যখন কোন মুসলিম হাজার নির্যাতনের শিকার হয়ে একবার প্রতিবাদ করে তখন এটাকে বলা হয় মৌলবাদ, জঙ্গী
কথায় কথায় ধর্ম কে অন্যায় ব্যাবহার করবেন না। অথচ আমরা বারবার দেখি ধর্মকেই ব্যবহার করা হচ্ছে। আসল ঘটনা আড়ালেই থেকে যাচ্ছে। ক্ষমতাসীনরা যেখানে জড়িত সেখানে সত্য উদ্বঘাটণ হবেনা। কি কারণে ১ম ও ২য় বিশ্বযুদ্ধ হয়েছে, সেটা হাজার হাজার বিখ্যাত লোকজন ব্যাখ্যা করেছেন, আরো যুদ্ধ হবে; তবে, কি কারণে, শিয়া, সুন্নী যুদ্ধ চলছে, সেটা আপনার মাথায় ঢুকবে বলে আমার মনে হয় না। সন্তান যখন মানুষ হয় না ঠিক মতন তখন তার আকাজের জন্য যেমন মানুষ বাবা মা তুলে গালি দেয়। তেমনি যখন ধর্মের নামে কেউ অন্যায় কাজ করে তখন মানুষ ঐ ধর্ম ঠিক শিক্ষা দিতে পারেনি বলে মনে করতেই পারে। ধর্মকে গালি দেওয়া ঠিক না। কিন্তু যারা ধর্মের নামে হানাহানি করে, আগুন লাগায়, মানুষ হত্যা করে তাদের গালি দেওয়া উচিত।
ধর্ম গুলোতে সৃষ্টিকর্তাকে যে পরিমান শক্তিশালী ও প্রজ্ঞাবান বলা হয়েছে তাতে কি তাদেরকে কোন সাধারণ মানুষের অবমাননা করার সামর্থ্য আছে! উইপোকার ঢিবি যদি হিমালয় পাহাড়কে গালি দেয় তাহলে হিমালয় পাহাড় কি ধ্বসে যাবে!
সুন্দর করে একটা পরিসংখ্যান দিল দুনিয়ার বিভিন্ন নাস্তিক, স্বৈরশাসক ইত্যাদির হাতে কত মানুষ নিহত হয়েছে। এটা তুলে ধরে আমি কখনও এটা প্রমাণ করতে চাই নি বা পক্ষ নিতে চাই নি বা আমার প্রমাণ করা না করা দিয়েও কোন যাবে আসবে না। বিবেচনা সম্পুর্ন আপনাদের।আমার কাজ হল তথ্য উপস্থাপন করা। যেমন আমি এটা প্রমাণ করতে চাই নি যে মুসলমানরা ইসলামের নামে প্রায় কাউকেই হত্যা করে নি, আর তাই ইসলাম হলো একমাত্র সহিহ শান্তির ধর্ম , আর মুসলমানরা হলো দুনিয়ার সব চাইতে শান্তিপ্রিয় মানুষ।
মাওসেতুং (নাস্তিক)- ৭ কোটি ৮০ লাখ
হিটলার (খ্রিষ্টান)- ১ কোটি ৭০ লাখ
জোসেফ স্তালিন (নাস্তিক)- ২ কোটি ৩০ লাখ
লিওপন্ড-২ (খ্রিষ্টান)- ১ কোটি ৫০ লাখ
হাইভেকি তোশো (বৌদ্ধ)- ৫০ লাখ
পল পট (নাস্তিক)- ৩০ লাখ
কিম ইন-সাং (নাস্তিক)- ১৬ লাখ
মেনপিশটু হেইলি মারিয়াম (নাস্তিক)- ১৫ লাখ
জর্জ ডব্লিও বুশ (খ্রিষ্টান)- ১০ লাখ -
মোট: ১৪ কোটির কিছু বেশী
আমি এটা তুলনা করতে চাই নি কখনও যে মাও সেতুং , হিটলার ,স্টালিনরা যদি তাদের রাজনীতির নামে কোটি কোটি মানুষ হত্যা করতে পারে , তাহলে মুসলমানরা যদি কিছু মানুষ হত্যা করে থাকে , তাহলে দোষের কি আছে ? আচ্ছা , বলুন তো উক্ত মাওসেতুং বা হিটলার বা স্টালিন কোন ধর্মের নামে মানুষ হত্যা করেছিল ? তারা যেটা করেছিল সেটা হলো সম্পূর্ন তাদের নিজস্ব রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্যে। এবার বলুন তো দুনিয়ার কোন বিবেকবান লোক তাদের এই গনহত্যাকে সমর্থন করে ? কোন লোক তাদের এই গনহত্যাকে সঠিক কাজ বলে গণ্য করে ? কেউই তাদের গনহ্ত্যাকে সমর্থন করে না , দুনিয়ার সকল বিবেকবান লোক তাদের এই গনহত্যাকে ঘৃণা করে , আর কঠিন সমালোচনা করে। তাদের এসব কর্মকান্ডকে ধিক্কার জানিয়ে, সারা দুনিয়ায় লক্ষ লক্ষ বই লেখা হয়েছে , লেখা হয়েছে নিবন্ধ , খবর আর হয়েছে কঠিন সমালোচনা। দুনিয়ার কোন বিবেকবান লোকই মাওসেতুং বা হিটলার বা স্টালিনকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট আদর্শ মানুষ তো দুরের কথা , একজন স্বাভাবিক বিবেক সম্পন্ন মানুষ বলেও স্বীকার করতে রাজি না। বরং সবাই বলে, তারা ছিল সবাই বর্বর , অসভ্য ও খুনি।
আমরা জানি ইসলাম ধর্মকে হিটলারের পৈশাচিক ও বর্বর ফ্যাসিজমের সাথে তুলনা করা চলে না , এবং আমি কোন অবস্থাতেই বলছিনা যে, ইসলাম ধর্ম, হিটলারের ফ্যাসিজমের মতই বর্বর (নাউযুবিল্লাহ)। আমি কোন তুলনাতেই যাচ্ছি না।কারণ আমি এখনই আরেকটি অন্য পরিসংখ্যান তুলে ধরব আপনাদের সামনে।আপনারাই বিবেচনা করুন।
✔ ইয়াহিয়া খান একজন মুসলিম , তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে ৩০ লক্ষ মানুষ হত্যা করেছিল. মিডিয়া তাকে কখনো জংগি বলেনি বলেনি মুসলিম টেররিস্ট
✔ জুলফিকার আলী ভুট্টো একজন মুসলিম , তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে ৩০ লক্ষ মানুষ হত্যা করেছিল. মিডিয়া তাকে কখনো জংগি বলেনি বলেনি মুসলিম টেররিস্ট
✔ জেনারেল নিয়াজী একজন মুসলিম , তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে ৩০ লক্ষ মানুষ হত্যা করেছিল. মিডিয়া তাকে কখনো জংগি বলেনি বলেনি মুসলিম টেররিস্ট
✔ সাদ্দাম হোসেন একজন মুসলিম , তিনি ইরাকে কয়েক লক্ষ মানুষ হত্যা করেছিল. মিডিয়া তাকে কখনো জংগি বলেনি বলেনি মুসলিম টেররিস্ট
✔ তৈমুর লং একজন মুসলিম , তিনি সেই আমলে ১৫ লক্ষ মানুষ হত্যা করেছিল যা ছিল পৃথিবীর মোট জনসংখার ৫ %. মিডিয়া তাকে কখনো জংগি বলেনি বলেনি মুসলিম টেররিস্ট
✔ সাদ্দাম হোসেন মুসলিম এবং ইরাণের খোমিনী মুসলিম, তারা পরস্পরের সাথে যুদ্ধ করে কয়েক লক্ষ মানুষ হত্যা করেছিল , মিডিয়া তাদের কে কখনো জংগি বলেনি, বলেনি মুসলিম টেররিস্ট
✔ সৌদী আরব মুসলিম দেশ এবং ইয়েমেন মুসলিম দেশ, তারা পরস্পরের সাথে যুদ্ধ করে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ হত্যা করেছে , মিডিয়া তাদেরকে কখনো জংগি বোলছে না , বোলছে না মুসলিম টেররিস্ট
✔ নাইজেরিয়ার সেনাবাহিণী ও সরকার যারা মুসলিম তারা হাজার হাজার বোকাহারমকে হত্যা করেছে , মিডিয়া তাদের কখনো জংগি বা ইসলামী টেররিস্ট বলেনি ।
✔ সিরিয়া এবং ইরাকী সেনাবাহিণী ও সরকার যারা মুসলিম তারা হাজার হাজার আই এস আই কে হত্যা করেছে , মিডিয়া তাদের কখনো জংগি বা ইসলামী টেররিস্ট বলেনি ।
তাহা হোলে
১ ) জামাতীরা মুসলমান এবং ১৯৭১ সালে ৩০ লক্ষ মানুষ হত্যার সহযোগি -- তাহা হইলে তাহাদের কেন মুসলিম জংগী বা টেররিস্ট বলা হয় ?
২) তালেবানরা মুসলমান এবং তারা কয়েক লক্ষ মানুষ হত্যা করেছে কিন্তু কেন তাদের কে মুসলিম জংগী বলা হয় ।
৩) আই এস আই রা মুসলমান এবং তারা কয়েক লক্ষ মানুষ হত্যা করেছে কিন্তু কেন তাদের কে মুসলিম জংগী বলা হয় ।
৫) হরকাতুল জেহাদ , তেহেরিক ইসলাম , জেএনবি ইত্যাদি মুসলমান কিন্তু কেন তাদের কে মুসলিম জংগী বলা হয় ।
৬) বোকা হারাম এরা মুসলমান, তারা কয়েক লক্ষ মানুষ হত্যা করেছে কিন্তু কেন তাদেরকে জংগী বলা হয় ????
ইহা মুসলমানদের বিরুদ্ধে ইহুদী নাসার ষড়যন্ত্র !!!!!
মতভেদ থাকাটা স্বাভাবিক।
ধন্যবাদ
****************
No More Religious Abuse Please
page
seo
blog
blogger
blogspot
Book
news
learn
press
media
find out
Literary Agents
literature
religion
economics
politics
world
bengali
bangladesh
dhaka
entertainment
0 Comments