Bangladesh VS Myanmar
| Bangladesh VS Myanmar |
মগের মুল্লুকে আন সু'কির বিচার চলছে, কপাল ভাংগবে বাংলাদেশের
জুন ১৪,২০২১ তারিখ থেকে আন সু'কির বিচার শুরু হয়েছে; সু'কিকে হয়তো বাকী জীবন জেলেই কাটাতে হবে; সু'কির ৭৫ বছর জীবনের বড় অংশ জেলেই কেটেছে, তার জন্য ইহা নতুন কিছু নয়; তবে, সু'কির থেকেও খারাপ অবস্হায় পড়বে বাংলাদেশ।
মগের মুল্লুকের মিলিটারী গত ফেব্রুয়ারী মাসে আন সু'কির সরকারের পতন ঘটায়ে আগের মতো (১৯৬২ সাল থেকে শুরু ) মিলিটারী শাসন চালু করেছে; আন সু'কি ও তার সরকারের অনেকেই এখন মিলিটারীর হাতে আটক অবস্হায় আছে। মিলিটারী-বিরোধী আন্দোলনে আজ অবধি, ৯০০'এর বেশী মানুষ প্রাণ হারায়েছে দেশের মিলিটারীর হাতে, আটক হয়েছে ১২০০০ মানুষ।
সু'কির বিপক্ষে দেশের নির্বাচন আইন ভংগ ও দেশের সিকিউরিটি বিনষ্টের অভিযোগ এনেছে মিলিটারী, বিচার করবে মিলিটারী, সাক্ষীও মিলিটারী; ফলে, তার শাস্তি নিশ্চিত; হয়তো, কোন শর্তে সু'কি যদি ক্ষমতার দাবী ছেড়ে দেয়, তা'হলে রক্ষা।
| Bangladesh VS Myanmar |
বর্তামান পরিস্হিতিতে, সু'কির দলের লোকজন ও সাপোর্টারেরা মিলিটারীর বিপক্ষে সশস্ত্র আন্দোলনে যাবার সম্ভাবনা প্রচুর; সেটা হবে সীমিত আকারের গৃহযুদ্ধ; এই গৃহযুদ্ধে নাগরিকেরা সহজে পেরে উঠার সম্ভাবনা নেই; কারণ, দেশের জনসংখ্যার তুলনায় মিলিটারী অনেক অনেক বড়, সাড়ে ৬ কোটী মানুষের দেশে ৭ লাখ সদস্যের মিলিটারী, এবং মিলিটারীর পক্ষে থাকছে চীন সরকার।
গৃহযুদ্ধ শুরু হলে, মিলিটারী এত ব্যস্ত থাকবে যে, তাদের মনেও থাকবে না যে, বাংলাদেশের সাথে রোহিংগা সমস্যা নিয়ে কথা বলতে হবে। আরেকটা ব্যাপার হবে, করাচী থেকে কিছু রোহিংগা (আরাকান রোহিংগা সালভেশন আর্মি ) গিয়ে মিলিটারী-বিরোধী শক্তির সাথে যোগ দেয়ার সম্ভাবনা প্রচুর; তারা যদি যোগ দেয়, তারা অবশ্যই টেকনাফ দিয়ে বার্মায় প্রবেশ করবে; তা'হলে কাজ সারবে, বার্মার মিলিটারী বলবে যে, স্হানীয় ও চট্টগ্রামের রোহিংগারা অস্ত্র ধরেছে; তারা বাংলাদেশের উপর দোষ চাপায়ে দিয়ে বলবে যে, বাংলাদেশ রিফিউজী রোহিংগাদের অস্ত্র দিয়ে বার্মা পাঠাচ্ছে; আন সু'কির বিচারে বাংলাদেশের কপাল ভাংতে পারে।
আন সু'কিকে অন্যায়ভাবে আটক করে, প্রহসনের বিচার না করার জন্য আমেরিকা ও ইউরোপ বার্মাকে চাপ দিচ্ছে; কিন্তু চীন তাদের পাশে থাকায়, বার্মার মিলিটারী আমেরিকা ও ইউরোপকে কোনভাবেই কেয়ার করছে না। বার্মা সেই ১৯৬২ সাল থেকেই আমেরিকার কথাকে পাত্তা দেয়নি কখনো।
মনে হচ্ছে, আন সু কি'র বিচার ও উহার কারণে সেই দেশে যদি আন সু কি'র সমর্থকেরা সশস্ত্র আন্দোলনে যায়, বার্মার মানুষের সাথে বাংলাদেশও বিশালভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে, এবং রোহিংগা সমস্যা নিয়ে বার্মার মিলিটারী কোন পদক্ষেপই নেবে না আগামী কয়েক বছরে। রোহিঙ্গাদের প্রতি অসহানুভূতিশীল ৭৫ বছর বয়সী সু চি একজন ডি ফ্যাক্টো নেতা হিসেবেই সুপরিচিত। তিনি রোহিঙ্গাদের ধর্ষণ, হত্যা এবং সম্ভাব্য গণহত্যা রুখতে কোন পদক্ষেপ নেননি এবং ক্ষমতাধর সামরিক বাহিনীর নিন্দা কিংবা তাদের নৃশংসতার মাত্রাও স্বীকার করেননি। ২০১৯ সালে হেগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে অনুষ্ঠিত শুনানিতে সামরিক বাহিনীর পদক্ষেপের বিষয়ে তার নিজের স্বপক্ষে উপস্থাপিত যুক্তি মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এর পর তার আন্তর্জাতিক সুনাম বলতে
তেমন কিছু অবশিষ্ট থাকে না। যে সু চিকে একসময় মানবাধিকারের বাতিঘর বলা হত তিনি এখন নিন্দিত বিশ্ব জুড়ে!! তবে, নিজ দেশকে মিলিটারীর কবল থেকে মুক্ত করার জন্য সে সারা জীবন চেষ্টা করে গেছে; অবশেষে, ভোটে জিতেছিলো অনেক বড় সাপোর্ট পেয়ে; এরপর কি করতো, সেটা দেখার বিষয় ছিলো। লাভের খাতায় শুন্য । বহু সাধনার ক্ষমতা ধরে রাখতে, মিলিটারি না ক্ষেপাতে এবং অন্ধ, কট্টর বৌদ্ধদের সমর্থনের আশায় নৃশংস গণহত্যাকে সমর্থন দিয়েও শেষ রক্ষা হচ্ছে না। রোহিঙ্গাদের বার্মা আর ফেরত নিবে না। এতে এদের ছোঁতার অভাব হবে না। জাতি গনহত্যার সমর্থক থেকে এখন শিকার । এটা শিক্ষা যা থেকে মানব জাতি কিছুই শিখবে না । সু'কি কেন কি করেছে, সেটা পরিস্কার নয়; সে রোহিংগাদের জন্য আলাদাভাবে সংগ্রাম করেনি, এটা সত্য; তবে, সে বার্মাকে মিলিটারীর খপ্পর থেকে বের করার জন্য চেষ্টা করে গেছে আজীবন। এখন তার বিচার বাংলাদেশের কপাল ভাংগবে। বার্মার এই চলমান সহিংসতা সহজে নিস্পত্তি হবে না । কারেন , চিন ও আরেকটি উপজাতি ইতিমধ্যেই বার্মার সেনাবাহিনীর উপর আক্রমন তীব্রতর করেছে । তাদের জাতিগত সহিংসতা পুরাতন ব্যাপার । চীন দেখবে তার কি পরিমান বন্দুক বুলেট বিক্রি হয়েছে । আমেরিকা তক্কে আছে বার্মার বন্দরটি বন্ধ করে চীনকে বেকায়দায় ফেলার । রোহিঙ্গাদের ভুমিকা হবে বিশাল । তারা সবচে আধুনিক অস্ত্র হাতে লড়বে । বিপদ বাংলাদেশের জন্য । আগুন কিঞ্চিত হলেও টেকনাফ , কক্স এলাকায় ছড়াবে । আমেরিকা আমাদের পাশে থাকলে কম খেসারতে পার পাব । জি-৭ এর মিটিং'এ চীন ছিলো মুল আলোচ্য বিষয়; আমেরিকা ও পশ্চিম বুঝতেছে যে, চীনারা বিশ্বের সব চোর ডাকাত সরকারগুলোকে কিনে নিচ্ছে; তবে, তারা কোন সমাধান বের করতে পারেনি। বার্মায় গৃহযুদ্ধ হবে, মনে হচ্ছে; গৃহযুদ্ধ লাগলে, রোহিংগাদের আর নেবে না মিলিটারী। বার্মায় যাইহোক রহিঙ্গাদের বাংলাদেশ থেকে ওরা আর ফেরত নিবেনা এটাই বাস্তব সত্যি। বাংলাদেশ সরকার/প্রশাসনের লোকজন রোহিংগাদের ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তিত বলে মনে হচ্ছে না; ওদের বাচ্চাদের পড়াচ্ছেও না। রোহিঙ্গা আমাদের চিরস্থায়ী বোঝা হয়ে যাবে এসবে। ১২/১৩ লাখ মানুষ বাড়লে ভয়ংকর কিছু ঘটতো না; কিন্তু আমাদের প্রশাসন/সরকার কোনদিন চাকুরী সৃষ্টি করার চেষ্টা করেনি, এবং রোহিংগারা অপরাধ-প্রবন জনগোষ্ঠী। এখানে আন্তর্জাতিক রাজনীতির একটা গভীর সম্পর্ক আছে।বর্তমানে চীন মার্কিন সম্পর্ক সাপে নেউলে সম্পর্ক।চীন চাইবে না তার পার্শ্ববর্তী কোন দেশের আভ্যন্তরীণ কোন রাজনীতির সুযোগে মার্কিনিরা ডুকে পরুক। পাকিস্তান এটা করতে পারে,রুহিঙ্গাদের অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে বাংলাদেশে ডুকিয়ে দিতে পারে।আন্তর্জাতিক এই রাজনীতির খেলা বড় বিচিত্র। করাচীতে আমাদের জিহাদী ভাইজানেরা বাস করেন; তারপর উপর, ওখানকার কিছু রোহিংগা ২০১৭ সালে আরাকানে আক্রমণ চালায়েছিলো ( আরাকান সলভেশন ... ); সবকিছু মিলে এক অপরাধ-প্রবন জনগোষ্ঠী আমাদের ভাইবোন হতে যাচ্ছে। ১৫ লক্ষ রোহিঙ্গা! শুধু সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে। বসে বসে তারা খেয়ে পরে আগামী ২০৩০ নাগাদ সংখ্যাটি কতো হতে পারে। এই কলংকের বোঝার ভার নেবার সামর্থ বাংলাদেশের কি আছে? করোনার কারণে বাংলাদেশে কি পরিমাণ দক্ষ বেকার ও অদক্ষ বেকার তৈরি হয়েছে তার পরিসংখ্যান করার মতো কোনো প্রতিষ্ঠান কি বাংলাদেশে আছে? নিজে বেঁচে থাকলে পরে রোহিঙ্গা নিয়ে চিন্তা করা যাবে। আগে নিজে বাঁচার চিন্তা করতে হবে। আপনি বলুন বাংলাদেশের নিজস্ব দক্ষ অদক্ষ বেকার জনগোষ্টি নিয়ে কি করবে? বঙ্গবন্ধু ও তাজউদ্দিন সাহেবের আমল থেকে কোন প্ল্যান নেয়া হয়নি, যাতে করে জাতি কাজ করে সন্মানের সাথে বাঁচতে পারে। আওয়ামী লীগ, বিএনপি-জামাত, এরশাদের দল ও প্রশাসন মিলে, জাতিকে দাস হিসেবে বিক্রয় করে, নিজেরা সেই টাকায় ভালো থেকে এসেছে। এখন জাতি হচ্ছে, সরকার ও প্রশাসনের লোকদের জন্য একটা বাজার। রোহিঙ্গারা অলস থেকে থেকে আস্ত একটি অলস জাতিতে রূপান্তর হয়েছে। চলতি জেনারেশন দিয়ে আর কিছু করা সম্ভব না (আমার ধারণা) এখন তাদের দিয়ে কাজ করাতে হলে তাদের উপর রিতিমতো ফোর্স করতে হবে যা অসম্ভব একটি বিষয়। তবে দেশের সার্থে রোহিঙ্গাদের আগামী জেনারেশনকে কাজে লাগানো উচিত। অং সান সুচির বিষয়টি বার্মার আভ্যন্তরীণ বিষয় (হারু মামলা/gone case) এটি নিয়ে আমাদের চিন্তা না করলেও চলবে। আগামীকাল থেকে প্রতি রোহিংগা পরিবারকে হাতে ২০০০/৩০০০ ডলার দিয়ে, জাহাজে করে পাকিস্তানের করাচীর কাছাকাছি নামিয়ে দেয়ার দরকার। আন সু'কির কি হবে, সেটা আমাদের বিষয় না; কিন্তু সেই বিচারের কারণে বাংলাদেশে অবস্হিত রোহিংগাদের ভবিষ্যত কি হতে পারে, সেটা ভাবার দরকার আছে। ১৩৫টা জাতি গোষ্ঠী নিয়ে মিয়ানমারের সামরিক শাসকদের ভয় গনতন্ত্র আসলে মিয়ানমার শতভাগে ভাগ হবে। তবে সুকির বিচার হওয়া উচিত। রোহিঙ্গাদের উতক্ষাত অর্থাৎ গনহত্যাকে সমর্থন করে উনি মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছেন। বিবিসির সাক্ষাৎকার নিতে যাওয়া বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সংবাদ পাঠক মিশেল হুসেইনকে তার মুখের উপর বলেছেন যে মুসলমান জানলে উনি তাকে সাক্ষাৎকার দিতেন না। একজন সত্যিকারের পলিটিশিয়ানের এই আচরণ চুড়ান্তভাবে নিন্দনীয়। আমার মনে হয় মিয়ানমারের জনগনের কাছে আর বিকল্প নেতৃত্ব নেই তাই এই অবস্থা। আমাদের যা হয় হোক তার আগে এর বিচার করা দরকার। রোহিংগাদের তাড়িয়ে দিয়েছে মিলিটারী, সু'কি সেই কাজ করেনি। সু'কি মুলত: বার্মিজ, সে সাড়ে ৬ কোটী মানুষের জন্য লড়েছে; আলাদাভাবে তাকে কেন রোহিংগাদের জন্য লড়তে হবে? কি কি কারণে সে মুসলমানদের উপর ক্ষ্যাপা, সেটা আমি জানি না; তবে, রাখাইনরা কোনভাবে রোহিংগাদেরকে আরাকানে দেখতে চাহে না। গণতন্ত্রই আমেরিকার ১১০ জাতিকে শক্ত করে ধরে রেখেছে। আমেরিকার রাজ্যগুলোর সাথে বার্মার তুলনা চলে না। বার্মার অনেক প্রদেশ স্বাধীন হতে চায় তার মাঝে শান, কাচিন, কারেন, আরাকান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। আপনি নেটে সার্চ দিতে পারেন বিবিসির মিশেল হুসেনের সাথে সুকির ইন্টারভিউ। আমি বিবিসিতে লাইভ দেখেছি। উনার বাবা ছিলেন প্রকৃত দেশ প্রেমিক। কিন্ত উনি?? বর্তমানে সু'কি বিতর্কিত, পশ্চিমও তার ভুমিকা নিয়ে বিভ্রান্ত; তবে, পশ্চিম দেখছে যে, মিলিটারী একটি সম্পদশালী দেশকে খুবই দরিদ্র জাতিতে পরিণত করেছে, ও উহা ক্রমে চীনের দাসে পরিণত হবে। মানুষ যখন সরকার থেকে কিছু পায় না, তখন নিজ জাতির সরকার গঠন করতে চায়; আমরাও তাই করেছিলাম। প্রান দিয়ে, বাংগালীরা কপালের মালিক হয়েছিলো ১৯৭১ সালে; বঙ্গবন্ধু ও তাজউদ্দিন সাহেবের ভুলের সুযোগ দিয়ে মিলিটারী , জামাত ও ব্যুরোক্রেটরা বাংগালীদের কপাল ভেংগেছে। এখন তাতে ভারত ও বার্মাও উহাতে কিছুটা যোগ করছে। যে সব মর্দে মোসলমানরা ২০১৭ ২০১৮ তে রোহিংগা দের আশ্রয় দেয়ার জন্য মানবতার আম্মুর সমালোচনা করে শেষ তক দেশে আশ্রয় দিতে বিশাল সাহায্য করেছিল তারা সবাই ৪ টা করে রোহিঙ্গা বিয়া করে বার্মা চলে যাওয়া উচিত। ঘরে তৈরি ইয়াবা খেয়ে জীবন ভাল ভাবে চালাতে পারবে
শেখ হাসিনার সরকার হাত-পা ঘুটায়ে সময় কাটাচ্ছে; বাংগালী ও রোহিংগা নিয়ে কোন সমস্যায় নেই সরকার। রোহিংগারা হলো ফার্মাসিউটিক্যাল বিজ্ঞানী, ওরা ইয়াবা কারখানা খুলে বসেছে; বাংগালীরা উহাতে শেয়ার হোল্ডার। রোহিঙাদের দেশে কীভাবে কাজে লাগানো যায় তা নিয়ে ভাবতে হবে; বার্মায় ফিরে যাবার সম্ভাবনা ক্ষীন। আওয়ামী লীগের তৃণমুলের কয়েক লাখ কর্মী বেকার; রোহিংগাদের কাজে লাগানোর মতো মাথা আওয়ামী লীগে ও প্রশাসনের কারো কাছে নেই। বার্মা কোন সভ্য দেশ নয়, এবং নাস্তিক চীন তাদের সমর্থনে আছে, আমাদের কপাল আসলেই পুড়েছে, যদিনা চীন সহানুভূতিশীল হয় । আতন্কর কারন হলো, আরেকটা ইসরাইল জন্ম না হয় । রোহিংগা যদি টেকনাফে থাকে যায়, উহা ইয়াবা রপ্তানী ও এটোমিক ওয়ারহেড রপ্তানীর দেশে পরিণত হবে। বার্মার রোহিংগা রা একদিন এই দেশে ইসরায়েল কায়েম করে পুরা চিটাগাং ও কক্সবাজার এলাকা দখল করবে। এটা আরো ত্বরান্বিত হবে যদি টেকনাফ উপকূলে তেল গ্যাস বা কক্সবাজারের সী বীচে ন্যাচারাল মিনারেল এর স্টক টার কনফার্মেশান টা পাওয়া যায়। তখন বিদেশী পাওয়ার রা এম্নিতেও তাদের কে টাকা, অস্ত্র আর সাহায্য দিয়ে আলাদা করে দিবে যাতে করে সেগুলা কে দখল করতে পারে সহজে আর সাথে সেন্ট মার্টিন টাও পাওয়া যাবে। আম্রিকার জন্য এই কর্নারে সেন্ট মার্টিন মানে এক টুকরা সোনা। ওইদিকে গুয়াম ছাড়া আর এয়ারবেইস নেই। মাদাগাস্কার এর উপর দিয়ে উড়ে আসা রিস্কি। সেন্ট মার্টিনে একটা এয়ার বেইস হলেই এই দিকটা কাভার দেয়া যাবে সহজে। এই অঞ্চলে একটা ইউ এস এয়ার বেইজ কতটা দরকারি তাদের। বিশাল অঞ্চল কাভার দেয়া যাবে এবং চীন কে টেক্কা দিতে এটা এখন ফরজে কেফায়া। সো এর জন্য রোহিংগা দের কে এই অঞ্চল নিয়ে স্বাধীন করাটা ও তাদের জন্য ইজি। একটা এয়ার বেইজ এর ড্রিম খুব সহজেই পূরন করা যায়। তাদের গ্লোবাল ডোমিনেশান এর জন্য খুব জরুরি। বাংলাদেশ তো আর গণতান্ত্রিক কোন দেশ না। এখন দেশ হল মাফিয়া দেশ। যেখানে টাকা দিবে আমাদের দেশনেতারা সেখানেই কাপড় খুলে শুয়ে পড়বে রেপড হতে। কারন, যখন মাফিয়া রা দেশ চালায় তখন এর চেয়ে ভাল কিছু হয় না। মোদ্দা কোথা, বাংলাদেশের জন্য দেশপ্রেমিক সরকার ও রাজনৈতিক লোক ছাড়া এই মুহুর্তে টিকে থাকা অসম্ভব এবং সেটা যেহেতু আমাদের নেই সো আরেকটা ফিলিস্তিন এর জন্য আমাদের মনে মনে তৈরি হওয়া দরকার। আমার খেয়াল আছে, শেখ হাসিনা রোহিংগাদের দেশে প্রবেশ করতে দিতে ছিলো না; কিন্তু দরকারী সিকিউরিটি ছিলো না, ও বিজিবির লোকদের দয়া পেয়ে ওরা ঢুকে গিয়েছিল কয়েক হাজার। এরপর, জাতি সংঘ ও ইউরোপ শেখ হাসিনাকে অনুরোধ করে রোহিনাদের প্রবেশ করতে দেয়ার জন্য। ওদেরকে পাকিস্তান যেতে সাহায্য করলে, ওরা পাকিস্তান চলে যাবে।
এই মুহুর্তে শেখ হাসিনার জন্য একটা পথ খোলা আছে- পুরা রোহিংগা ক্যাম্প কে সেনা বাহিনীর হাতে তুলে দিয়ে চারদিকে বিশাল কর্ডন করে ঘিরে রাখা এবং তারা যাতে কোন ভাবেই দেশে ছড়িয়ে যেতে না পারে সে ব্যবস্থা করা। দরকার হলে দেশের সব ব্যাটালিয়ান ওইদিকে মুভ করানো দরকার। এই মুহুর্তে আমাদের রাজধানী রক্ষার চেয়ে সেনা বাহিনীর বেশি দরকার রোহিংগা কন্ট্রোল করা। দুনিয়ার সব দেশ তাদের রিফিউজি দের এভাবেই কন্ট্রোল করছে। এটাই হওয়া উচিত। পুলিশ, বিজিবি কে একদম উঠিয়ে দিয়ে পুরা কক্স বাজার টেকনাফ এলাকা সেনাবাহিনীর হাতে ছেড়ে দিয়ে রোহিংগা শিবির গুলা ২৪/৭ কর্ডোন করে রাখা দরকার দেশের জন্য। মানবতা অনেক সোদানো হয়েছে এবার নিজেদের কে রক্ষা করার জন্য করা দরকার।
আর ইউরোপ আম্রিকা চাপ দিবেই, কেন দিবে সেটা উল্লেখ করেছি উপরে। এই এলাকায় একটা ঘাটি এখন এক টুকরা সোনা।
বাংলাদেশ এখন গরীবের ভাবী। সবাই কাপড় খুলে আদর করতে পারে কারন জামাই মরে গেছে।
আমাদের টেকনাফে কে আসবে ঘাঁটি করতে, কেন সেখানে ঘাঁটি দরকার? মগের মুল্লুক এমন হয়, সেটা আমরা শৈশব থেকেই জানতাম। তাদের কাজ ছিল লুট করে নিয়ে যাওয়া, কিন্তু এবার তারা আমাদেরকে কতগুলো মানুষ দিয়েগেছে। বিচ্ছিরি একটা জাতি এ মগের মুল্লুকের জাতি। এখন সেটার সাথে আমাদের লেনদেন হবে। দুনিয়ার সব যায়গায় আম্রিকার ঘাটি আছে, কিন্তু এই বিশাল অঞ্চলে নেই। সেন্ট মার্টিনে ঘাটি করার চেস্টা অনেক আগে থেকেই আম্রিকার। এখন তেল গ্যাস, দামী মিনারেল এর লোভে বা ঘাটির লোভে হলেও আম্রিকা এখানে শকুনের নজর দিবেই। মায়ানমার এ চীনের ঘাটিকে কন্ট্রোল করতে এই এলাকায় ঘাটি দরকার। তাদের সবচেয়ে কাছের ঘাটি ভারত মহাসাগরে গুয়ামে, সেখান থেকে ফ্লাই করে এদ্দুর আসা অনেক টাফ। এই এলাকায় ঘাটি এই কারনের দরকার। কোয়াডের কারনে হয়ত আন্দাবার বা নিকোবর এ একটা ঘাটি পেলেও পেতে পারে বাট সেন্ট মার্টিন সবচেয়ে ইজি সলুশান। এখান থেকে চীনের এই অংশে হামলা চালানো ইজি এবং বিমান গুলো হামলা চালিয়ে ইজিলি ফেরত আসবে পারবে রি ফুয়েলিং ছাড়াই। সাউথ চায়না সী তে তাইওয়ান, নর্থে জাপান আর এদিকে ফিলিপাইন হয়ে অপ্রেশান চালাতে পারলেও মায়ান্ময়ার আর বে অফ বেংগল অংশ টা সিকিউর করার জন্য সেন্ট মার্টিন আদর্শ বেইজ। আমেরিকান লোকজন তাদের সন্তানদের ( সৈন্যদের ) নিজ দেশে দেখতে চায়। আমেরিকান সরকার নতুন ঘাঁটি করার মতো সমর্থন পাবে না নিজ দেশের নাগরিকদের থেকে। আমেরিকা এখনো চীন, রাশিয়াকে এডখনো ভয় পায় না; বাংলাদেশ নামে দেশ আছে শুনলে ভয়ে চুপ হয়ে যাবে। চীন এবং রাশিয়ার কারণে বার্মার বিরুদ্ধে বিশ্বসংস্থা কিছুই করতে পারছেনা। চীনের কারণে ভারতও বার্মাকে সাহায্য করছে। চীন বিশ্ব থেকে অন্য সব জাতিকে উৎখাত করে দিবে এক সময়।
************
Bangladesh VS Myanmar
page
seo
blog
blogger
blogspot
Book
news
learn
press
media
find out
Literary Agents
literature
religion
economics
politics
world
bengali
bangladesh
dhaka
entertainment
0 Comments