Dhaka, Kolkata & Hilsha
যারা পদ্মাকে হত্যা করছে, তাদেরকে কেন পদ্মার ইলিশ খেতে দেয়া হবে?
তাদের জন্য শক্ত শেলের কাঁকড়া পাঠানোর দরকার ছিলো; কলকাতায় ৭ হাজার টন ইলিশ রপ্তানী করাটা বেশ বড় ধরণের অন্যায় কাজ হয়েছে; এমনিতেই বাংলাদেশে ইলিশের দাম নিয়ে ক্রিমিন্যাল কাজ করে চলেছে মাছ ব্যবসায়ীরা; সরকার সেটা না থামায়ে, অকারণে কলকাতায় ইলিশ রপ্তানীর সুযোগ করে দিয়ে আরো বড় অন্যায় করে যাচ্ছে রীতিমতো। বস্তীর গরীব মানুষদের ছেলেমেয়েরা টেলিভিশনে ইলিশ মাছ দেখে, নাটকে ইলিশ মাছ দেখে, কিন্তু নিজ ঘরে ইলিশ মাছ দেখতে পায় না। সেদিক থেকে টোকাইরা ভাগ্যবান, ওদের অনেকেই রেষ্টুরেন্টে একবেলা, একটুকরো ইলিশ মাছ কিনে খেতে পারে, এদের অনেকই আয় করতে শিখেছে।
কলকাতায় যারা ইলিশ মাছ রপ্তানীর সুযোগ পায়, এরা কি আসল রপ্তানীকারক, নাকি মাফিয়া ধরণের লোকজন সেটাও জানা মুশকিল; এরা কি ডলার আনছে, নাকি মাদক আনছে ভারত থেকে সেটা কে খেয়াল রাখছে! এমন কি ডলার আনলেও, ৭ হাজার টন ইলিশের ডলারের জন্য বাংলাদেশ বসে নেই; হয়তো শ্রীলংকার জন্য উহা একটি সংখ্যা।
Dhaka, Kolkata & Hilsha
বাংলাদেশে ডলার আয়ের কাজ করেন গার্মেন্টস'এর মেয়েরা; এরা কয়বেলা ইলিশ কিনতে পারবেন? আমি ২/৪ জন ব্লগারের অবস্হা দেখেছি, যাঁদের পক্ষে ইলিশ কেনা কঠিন ব্যাপার!
মাছ-মাংসে ও অন্যান্য খাবারে কেমিক্যাল মিশায়ে জাতিকে পংগু বানায়ে দিচ্ছে ব্যবসায়ীরা; পুকুরের মাছে চেয়ে সামুদ্রিক মাছ কিছুটা নিরাপদ আমিষ; সেজন্য প্রতিটা ইলিশকে হিসাবে রাখার দরকার। কলিকাতার মানুষ কি আমাদের এমন বন্ধু যে, যাদেরকে না খাওয়ালে আমাদের গলা দিয়ে ইলিশ নীচের দিকে নামছে না? একা মমতাদির ভালোবাসার কারণেই ইলিশ রপ্তানী বন্ধ করার দরকার। মমতাদির ভালোবাসার কারণে পদ্মায় কেছকি মাছে পাওয়া যাচ্ছে আজকাল; ভবিষ্যতে গুগলী ও কাঁকড়া পাওয়া যাবে।
ভারতে সব ইলিশ বাংলাদেশে চলে এসেছিলো। সেগুলোই ফেরত দেওয়া হলো, একটু অন্য ভাবে। গংগা থেকে ভাটিতে নামছে ইলিশ?আজগুবি ! আমার মনে হয় বাংলার কম আয়ের মানুষরা ঝাটকা সাইজের ইলিশ মাছ খেয়েই সন্তুষ্ট, বড় ইলিশ মাছ যেটার ঘ্রাণ সারা বাড়ি ছড়ায় ঐটা তাদের নাগালের বাইরে। ইলিশ যাহা পাওয়া যাচ্ছে, তা বাংলাদেশেই আছে; খাচ্ছে চোর-ডাকাতেরা, সাধারণ মানুষ উহা কিনতে পারার কথা নয়; বিদেশে সামান্য রপ্তানী হয়। নিউইয়র্কে ও আরবদেশে যেগুলো বিক্রয় হয়, সেগুলোর বড় আংশ বার্মার। প্রতি বছর রপ্তানি করা হয় না।যে বছর বেশি ধরা পরে সেই বছর রপ্তানি করা হয়।মজুতদাররা কারসাজি করে দাম বাড়িয়ে দেয়।ভারতের সাথে রপ্তানি ঘাটতি অনেক বেশি তাই ইলিশ দিয়ে কিছুটা কমিয়ে আনা। ভারতের সাথে কত বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি কত ডলারের ইলিশ যায়? আমিষ দিয়ে মাদক কেনাটা বাণিজ্য নয়। নিউইয়র্কে বাংগালীরা নিয়মিত ইলিশ মাছ খেতে পারে না কালেভদ্রে খায়। নিউইয়র্কের খুব কম মানুষই বাংলার ইলিশ কেনার ক্ষমতা রাখেন; বাংলাদেশী বড় ইলিশ "প্রতি পাউন্ড ২২ ডলার", কেজি ৪৪ ডলার।
২০০২-৩ সালে হুগলী নদীতে ইলিশ ধরা হয়েছিল-৬২,৬০০ টন। সেখানে বাংলাদেশে ছিল প্রায় দুই লাখ টন। ২০১৭/১৮ তে হুগ্লী নদীতে ইলিশ ধরা পরে ২৭ হাজার ৫৩৯ টন সেখানে বাংলাদেশে ৫১৭০০০ টন। ওপারে কমেছে ৫৬% এপারে বেড়েছে ১৬০
এর মুল কারন হচ্ছে ফারাক্কা বাধ! ওদের মোহনায় দ্রুত পলি জমে যাচ্ছে- মাছ নদীতে আসতে পারছে না(মোহনা নুন্যতম ৪০ ফুট গভীর না হলে ইলিশ মাছ সাচ্ছন্দ্যে চলাচল করতে পারে না)। তারপরে হুগ্লী নদীর চরম পানি দুষনের কারনে ইলিশ মাছ তাঁর গতিপথ পরিবর্তন করেছে।
ফারাক্কা শুধু আমাদের নয় ওদের ও সর্বনাশ ডেকে এনেছে!ফারাক্কার ফলে হুগলীতে স্রোত বাড়ছে, না কমছে? শেখ হাসিনা চান তাই আমাদের ইলিশ কলকাতায় যাচ্ছে। শুনেছি ঢাকার চেয়ে কলকাতায় ইলিশ সস্তা।
ভারতের সাথে সম্পর্ক ধরে রাখতে আদান প্রদানের প্রয়োজন আছে।এবার আমাদের দেশে ইলিশ অনেক হয়েছে। তবে দাম বেশি। দেড় কেজি ওজনের একটা ইলিশ ১৭৫০ টাকা। আজ দুপুরে ইলিশের ডিম দিয়ে হোটেলে ভাত খেয়েছি। এক পিস ডিমের দাম নিয়েছে ১৪০ টাকা।
চীনের সাথে সম্পর্ক রাখতে রাস্তার কুকুর ধরে পাঠাতে হবে?
ত্রিপুরা থেকে - 20% ইলিশ মাছ যদি সরকারি ভাবে আসে তবে 80% মাছ সেরা মাছ এমনিতেই আসে শুধুমাত্র ইলিশ নয় যে কোনও মাছ,সে আটকানোর ক্ষমতা বাংলাদেশের সরকারের নাই কারন এইখানে মাছ বিক্রি করে বাংলাদেশের মৎস্য ব্যবসায়ী রা বেশী লাভবান হয়ে থাকেন তো এই ব্যাপারে কান্না কাটি করে কোন লাভ নাই আরেকটা তথ্য জানিয়ে রাখি ইন্ডিয়া পৃথিবীর পঞ্চম রাষ্ট্র মাছ খোর আগে চীন ভিয়েতনাম বার্মা বাংলাদেশের অবস্থান আরো পেছনের দিকে ভারতের দিকে প্রথম দিকে আছে লা ক্ষ দ্বীপ ত্রিপুরা পঞ্চম স্থানে ওয়েস্ট বেঙ্গল এর আগে কিন্তু আপনি ভালো করেই জানেন যে এই রাজ্যে টি পাহাড়ী তো কারন আপনার জীবনের অনেকটা স্মরণীয় মুহূর্ত এই দুর্গম অঞ্চলে তো ত্রিপুরার ভারতের মধ্যে পঞ্চম স্থানে মাছ খাওয়ার রাজ্য হিসাবে স্থান পাওয়ার পেছনে যে গত বাংলাদেশের ভূমিকা আছে আছে সেটা অনস্বীকার্য আর আপনার ইলিশ মাছের কথা সেটা ওয়েস্ট বেঙ্গল এর জন্য প্রযোজ্য সারা দেশের জন্য না আপনার জানা দরকার ভারতের পঞ্চাশ শতাংশ মানুষ সম্পূর্ন নিরামিষ আহার গ্রহণ করে
হরিণা ও পংবাড়ীর জন্য, এবং '৭১ সালের সাহায্যের জন্য ত্রিপুরাকে ভালোবাসি; মাছ দেয়া হোক ত্রিপুরাকে, কলকাতাকে নয়। দাদাদের বঞ্চিত করতে মানচায় না অনেকের। আমরা নাহয় একটি বেশী দামের খেলাম। মমতা বাংলাদেশের মানুষের প্রতি যেই অবিচার করছেন, উনাকে লোনা শাক ও কাঁঠালের বিচি ছাড়া আর কিছু দেয়া সঠিক হবে না। বাজার ভরতি ইলিশ। এত এত ইলিশ কিনছে কারা? Dhaka, Kolkata & Hilsha
ইলিশের বাজারে গেলে দেখা যায় বহু লোক ১৫/২০ কেজি করে বড় বড় ইলিশ কিনছে। যারা কাজ করে না, ঋণের নামে ব্যাংক ডাকাতী করে, সেক্রেটারীয়েটে কাজ করে, টেন্ডার নিয়ে কাজ না করে বিল তোলে, ওরা ইলিশ খাচ্ছে। ভারতের সমুদ্র উপকুলের লোক সংখ্যা মনে হয়, বাংলাদেশ থেকে বেশী হবে! আমরা খুব ভালো মানুষ তাই কলকাতায় সস্তায় বিক্রি করে দেশে বেশী দামে বিক্রিও করি সস্তার পেছনে কি ফাইন্যান্সিং কাজ করছে কে জানে! নিশ্চয় শেখ হাসিনা মাছের ব্যবসা করেন না। মনে হয়, মাছ রপ্তানীর টাকা/ডলারে লাভজনক কিছু আনে, অথবা মাদক আনে। নিউ ইয়র্কে এক কেজি ইলিশের দামে চাঁদে জমি কেনা যাবে চাঁদে যেজন জমি কিনছে, সে প্রমাণিত উন্মাদ। ইলিশ রপ্তানি না করলেই যে সস্তায় ইলিশ পেয়ে যেতেন - এ কথা কল্পনাতেও আনবেন না। ইলিশ যখন খুব সস্তা থাকে তখনো ইলিশ কেনার নিয়ত করলে পকেটে দুইটা এক হাজার টাকার নোট রাখা লাগে। এর কারণ বেশি দামে একটা ইলিশ কিনলে বিক্রেতা অফার করবে কম দামে আরেকটা কিনে নেবার জন্য - যাতে আপনার পুষিয়ে যায়!
প্রতি বছর এই সময়ে কলকাতায় দূর্গোতসব হয়। সেই উৎসবে ইলিশ বলতে পারেন বাংলাদেশের একরকম পার্টিসিপেশন। ইলিশ রপ্তানি বন্ধের মত ক্ষুদ্র ইস্যু নিয়েও অনেক বড় কোন সমস্যা হতে পারে। নিজেরা যখন খেতে পারছিই না, প্রতিবেশীর সাথে সম্পর্ক নষ্ট করে লাভটা কি? প্রতিবেশী পদ্মা হত্যা করছে, এটা তাকে স্মরণ করে দেয়ার দরকার। মাদক নিয়ে আসে?পেনসিডিল, বিয়ার ও মদ আসে ভারত থেকে
ফারাক্কাতে বাঁধ দিয়ে রাখা হল, উত্তরাঞ্চল মরুকরন করা হল, অথচ খাতির করে ইলিশ পাঠান হচ্ছে। এটি অবশ্যই একটি অযৈক্তিক পলিসি। এটি মানতে পারছি না। যেন গলাতে ইলিশের কাঁটা বিধল।
আমরা অন্যান্য ক্ষেত্রেও একই রকম চেহারা দেখি , একই বিপরীত নীতি অবস্থা দেখতে পাই।
ফারাক্কা শুধু যে উত্তরাঞ্চল মরুকরন করেছে তা নয়, "up stream" ও ব্যাপক ক্ষতি করেছে।
বাংলাদেশে যারা চুরি ডাকাতী করে কোটী কোটী টাকা আয় করছে, তাদের কারণে ইলিশ হাইপে পরিণত হয়েছে।
রপ্তানির ক্ষেত্রে নানা অসাধু উপায়ের আশ্রয় নিতেন দুই দেশের আমদানি ও রপ্তানিকারকরা যা প্রথম ধরা পড়ে ২০০৭ সালে ওয়ান-ইলেভেনের সময়। দেশের বাজারের চেয়ে কম দামে কলকাতায় ইলিশ বিক্রির খবর প্রকাশিত হয় একটি জাতীয় দৈনিকে। এ নিয়ে তোলপাড় সারাদেশ। বিষয়টি প্রমাণ হলে বিদেশে ইলিশ রপ্তানি বন্ধ করে দেয় তৎকালীন সরকার। তখন এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভারত-বাংলাদেশের আমদানি ও রপ্তানিকারকরা অনেকটা যৌথভাবে আন্দোলনে নামেন! ভারতীয় আন্দোলন করবে তাদের স্বার্থে, কিন্তু আমাদের দেশের রপ্তানিকারকরা কার স্বার্থে আন্দোলন করেন? দেশের মানুষের প্রতি, দেশের সম্পদের প্রতি, দেশের কৃষ্টি-সভ্যতার প্রতি তাদের কি কোনো দায় নেই! যদিও রপ্তানি বন্ধ থাকলেও স্থল আর নৌ-রুটের চোরাইপথে প্রতিদিন শত শত মণ ইলিশ যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। দেশের কিছু অসাধু ব্যবসায়ী জড়িত এর সঙ্গে। সমুদ্রপথেও পাচার হচ্ছে ইলিশ। আমরা জানি, ১৯৮৬ সাল থেকে শুরু হয় ইলিশ হ্রাসের কারণ নির্ণয়ের গবেষণা। তখন জানা যায়, ইলিশের পোনা জাটকা অবাধে নিধনের কারণেই ইলিশ কমে যাচ্ছে। জাটকা নিধন বন্ধ হলেই ইলিশের উৎপাদন বাড়বে। শুরু হয় জাটকা নিধন বন্ধের সামাজিক আন্দোলন। ফলে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। তবে অভিযোগ আছে, সরকারি লোকদের সঙ্গে জাটকা ধরার জেলেদের চোর-পুলিশ খেলার মধ্য দিয়ে প্রতিবছর শত শত টন পূর্ণাঙ্গ ইলিশ পাচার হচ্ছে। এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ১৯৮৬-৮৭ সালে দেশে ইলিশ উৎপাদন হতো ১৯৪.৯৮১ মেট্রিক টন। ২০১১-১২ সালে উৎপাদন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন। এমন সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের বিজ্ঞানীদের গবেষণা আর সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের কারণে। কিন্তু ইলিশ গেল কই। মৎস্য কর্মকর্তারা বলছেন, প্রজননের জন্য যেসব ইলিশ মেঘনা, তেঁতুলিয়া নদীসহ মিঠা পানিতে আসে, এসব ইলিশের জন্য চাই গভীর পানি। মেঘনায় অসংখ্য ডুবোচর সৃষ্টি হওয়ার ফলে ইলিশ অবাধে বিচরণ করতে পারছে না ফলে ভরা মৌসুমেও ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে না। আবার নদীগুলোর গভীরতা কমে যাওয়ায় ডিম পাড়তে ইলিশ আসছে না। এ কারণে নদীতে এখন ইলিশ নেই। ইলিশ মাছের উৎপাদন কমে যাওয়ার অনেক কারণ রয়েছে_ ইলিশের উৎস হিসেবে পরিচিত মেঘনার শাহবাজপুর চ্যানেলে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ে। এখন সেখানে ট্রলার চলাচল করায় ইঞ্জিনের বিকট শব্দে ইলিশ আসে না। নদীতে ডুবোচর রয়েছে। এটাও ইলিশ না আসার আরেকটি কারণ
ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে ইলিশ এক কূটনৈতিক প্রতীকও বটে। এর আগে স্থলসীমান্ত চুক্তি সই করতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন ঢাকায় গিয়েছিলেন, ইলিশ নিয়ে কিছুটা রসিকতার ঢংয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা হয়েছিল তার। ভোজের তালিকায় ইলিশের পঞ্চপদ দেখে মমতা হাসিনাকে প্রশ্ন করেছিলেন, কেন তারা ইলিশ আটকে রেখেছেন? শেখ হাসিনার জবাব ছিল, তিস্তার পানি এলেই মাছ সাঁতার কেটে চলে যাবে ওপারে! আমাদের মাঝে ও ভারতের মাঝে ভালো সম্পর্ক কোনদিনও হবে না, ২ দেশের মানুষের মনোভাব ভালো নয়। বাংলাদেশের কেহ বারতকে পছন্দ করে না; তারপরও এগুলো কেন হচ্ছে?
নিজেদের দেশের মাছ নিজেরাই খেতে পাই নাই উর্ধ্মুখী দামের কারনে, এক সময় ঢাকায় ইলিস বিক্রি হতো পিস হিসেবে এখন বদমাইশ বিক্রেতারা কেজী দরে দাম রাখে যা মুল দামের দ্বিগুণ। সেই ইলিশ কি আনন্দে সরকার হাজার টন কোলকাতায় পাঠায় এটাই বুঝে উঠতে পারি না। আবার শুনছি ইলিশ রপ্তানী করার পারমিশান দিচ্ছে সরকার, এ যেনো গোঁদের উপর বিষ ফোড়া। আমার দাবি বাংলার প্রতিটি ঘড়ে ইলিশের স্বাদ পর্যাপ্ত পরিমানে পৌছে দিয়ে তারপর যদি থাকে তা ভারত বা অন্যদেশে রপ্তানী করা যেতে পারে।
Dhaka, Kolkata & Hilsha
বদমাইশ, খচ্চর, বেয়াদব, ধান্দাবাজ, মুনাফাখোর বিক্রেতারা ইলিশ কে সাধারন মানুষের ধরা ছোয়ার বাহিরে নিজে যাচ্ছে শ্রেফ তাদের নিজেদের অতি মুনাফার জন্য এটা এখনি বন্ধ হওয়া জরুরী।যে প্রতিবেশী তিস্তার পানি আটকে রেখে আমাদের শুকিয়ে মারে, নিত্য আমাদের গুলি করে মেরে বর্ডারের কাঁটাতারে ঝুলিয়ে রাখে সে প্রতিবেশীর দিকে থুথু ফেলা তো দূর, তাকানোও উচিৎ নয়। কান যাদের দু'টোই কাটা থাকে তারাই এমন করে সব উজার করে, সব খুলে দিয়ে নিজে ন্যাংটো থাকলেও লজ্জা পায়না. যারা পদ্মাকে হত্যা করছে, পদ্মার ইলিশ ওদের দেশে রপ্তানী করা বেকুবের কাজ। চীনের সাহায্যে তিস্তাার প্রস্তাবিত বিশাল প্রকল্পটি যদি সফল হয়, আমরা তাহলে ফারাক্কা বাধের বিপরিতেও অনুরুপ প্রকল্পের কথা চিন্তা-ভাবনা করতে পারি। ইলিশ আমাদের জন্য প্রস্টিজিয়াস প্রোডাক্ট। আমাদের ইলিশ আছে সেটা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে হবে। ইলিশের কাটা না থাকলে অবশ্যই স্যামনের চেয়ে বেশি জনপ্রিয় হতে পারতো স্বাদ এবং সুগ্রানের জন্য। রপ্তানী হচ্ছে, কিন্তু গরীব দেশ থেকে খাদ্য রপ্তানী উচিত কাজ নয়।
***************
Current affairs
current world
page
seo
blog
blogger
blogspot
Book
news
learn
press
media
find out
Literary Agents
literature
religion
economics
politics
world
bengali
bangladesh
dhaka
Dhaka, Kolkata & Hilsha
Dhaka
Kolkata
Hilsha
0 Comments