Our Bangladesh-2
আমাদের পিএম জাতিসংঘে কথা বলতে নিউইয়র্ক এলে, আওয়ামী লীগের লোকেরা উনাকে ম্যানহাটনে মেরিয়ট হোটেলে সংবর্ধনা দেন; উনি প্রতিবারেই অনেকটা একই ধরণের কথা বলেন;
এবার উনি অনলাইন থেকে ভার্চুয়েল বক্তব্য রেখেছছেন ও রিয়েলটাইমে প্রশ্নোত্তর দিয়েছেন। উনি বক্তব্যে একটা বিষয়ের উপর জোর দিতে চেয়েছেন, আমেরিকার বাংগালীরা যেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন। উনার শ্রোতাদের বড় অংশ আওয়ামী লীগের কর্মী, নেতা, সমর্থক থাকেন। আমি এদের অনেককে জানি, বেশ কিছু লোকের ভালো ব্যবসা আছে, ইচ্ছা করলে বিনিয়োগ করতে পারে; কিন্তু "আমেরিকায় বসবাসকারী আওয়ামী লীগের লোকেরা" কি উনার সরকার ও প্রশাসনকে বিশ্বাস করে? মোটেও না।
চীনা, মীনা, যেকোন ধরনের বিদেশী পেলেই আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, অর্থমন্ত্রী মুহিত সাহেব ও ব্যাংকের গভর্ণর ড: আতিয়ার খালি বিনিয়োগের অনুরোধ জানায়; বলতে থাকে, "আমরা সস্তাশ্রমের জাতি, ভালো জাতি, আসুন বিনিয়োগ করুন"; শেখ হাসিনা বললে মেনে নেয়া যায়, বিনিয়োগ নিয়ে উনার ধারণা বিরাট থাকার কথা নয়; কিন্তু পিএইচডি আতিয়ার সাহেব এগুলো বললে ভাবতে হয়, এরা কি করে গরীব দেশের ব্যাংকের গভর্নর হয়!
প্রথমত: "শ্রমকে কত সস্তা করলে, একজন শ্রমিক কাজ করেও সঠিভাবে খাবার, থাকার, বাচ্ছাদের পড়ালেখা করানোর মতোও আয় করতে পারবে না?" এ ভাবনাটা কি একজন পিএইচডি'র মাথায় আসে না?
Our Bangladesh
সস্তা শ্রম দিয়ে, ২৫ বিলিয়ন ডলার মুল্যার রেডিমেইড পোশাক বানাচ্ছে ৬০ লাখ 'সস্তা শ্রমের' মানুষরা; এটাই জাতির বড় সেক্টর। শ্রম কি আরো সস্তা করার মতো অর্থনৈতিক অবস্হা আছে বিশ্বে?
বাংলাদেশের বর্তমান অবস্হায়, বিনিয়োগকারী হওয়া উচিত 'দেশের মানুষ', চীনা, মীনাদের মতো দুষ্টরা নয়; এখানে একটা ফাইন্যনসিয়াল যাদুকরী অংকের দরকার, কি করে সাধারণ একজন বাংগালীও হংকং এর চীনা থেকেও বেশী বিনিয়োগ করতে পারে; সেই অংকটা ড: আতিয়ার, বারাকাত ও মুহিতরা জানে না।
বর্তমান অবস্হায়, আমাদের যতটুকু সস্তা শ্রম, যতটুকু দামী এনার্জি আছে, যতটুকু কেনা এনার্জি আছে, এটুকু ব্যবহার করে লাভ করার, প্রথম অধিকার হচ্ছে এ দেশের মানুষের, চীনা ফিনাদের নয়।
Our Bangladesh
আমাদের মানুষের হাতে 'অলস টকা' পড়ে আছে, ড: আতিয়ার দেখে না; উনার ফাইন্যালসিয়াল দৃস্টি থালার বাইরে, মাঠের দিকে; প্রধান মন্ত্রীকে বুঝতে হবে, পদ্মা যদি জাতির টাকায় করা যায়, জাতি বিনিয়োগও করতে পারবে।
রেডিসন হোটেলে চীনা মীনাদের না খাওয়ায়ে , গণভবনে গার্মেন্টসকর্মী ও ড্রাাইবারদের নিয়ে মিটিং করে, ১ কাপ চা খাওয়ালে জাতির বিনিয়োগ সমস্যার সমাধান বেরিয়ে আসবে বলে আমার ধারণা।
প্রধানমন্ত্রীকে যা লিখে দিয়েছে উনি তা বলে দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতিও নিজ থেকে কিছু বলেন না। তাকে যা লিখে দেওয়া হয় উনি তাই বলেন। আমাদে মন্ত্রী,প্রধান মন্ত্রী,রাষ্ট্রপতি সবাই আমলাদের উপর নির্ভরশীল।তারা নিজের থেকে কিছুই বলে না।আতিয়ার ছিল আমাদের ব্যাংক ব্যবস্থার ইতিহাসে এক অভিশাপ। তার পূর্বসুরী খোরশেদ, সালাউদ্দিন, ফরাসউদ্দিন, ফখরুদ্দিনেরা যেরকম যত্নের সাথে বাংলাদেশের ব্যংকভিত্তিক অর্থনীতিকে আকড়ে ধরেছিলেন - আতিউরের সময় এসে তার কিছু ভুল সিদ্ধান্তের কারণে এক টার্মেই দেশের ব্যাঙ্ক ব্যবস্থা মোটামুটি ধ্বসে পড়ে। নিদারুণ অর্থ সংকট এবং ঢালাও খেলাপি ঋণ এখনকার ব্যাঙ্ক ব্যবস্থার করুণ বাস্তবতা। এর জন্য একমাত্র দায়ী আতিউর এবং সেই সময়কার অর্থমন্ত্রী মুহিত। ১৯৭২ সাল থেকেই আমাদের বাংক সমস্যা চলছে; তবে, ড: আতিয়ার ও মুহিতের সময় ইহা কন্ট্রোলের বাহিরে চলে গেছে; মানুষের বিনিয়োগের পথ বন্ধ হয়েছে। এই সস্তা শ্রম বলেই দেশটারে খাইলো, সস্তা শ্রমের চক্করে পরে আমাদের দেশের কর্মীরা ভালো বেতন পায় না, কাজে অনুযায়ী মূল্যায়ন হয় না। আমার জিজ্ঞাস সস্তা শ্রম বলতে এরা কতটা সস্তা শ্রম বুঝায়? শরমিকের ঘড়ে পা দিয়ে কিছু আসভ্য বেয়াদব মুনাখোড় খোঁয়াড়ের প্রানী কেবল টাকা বানাচ্ছে দেশে একটার পর একটা বিনোদন খামাড় গড়ে তুলছে কিন্তু শ্রমিকের যেই ঝুপড়ি থেকে দিন শুরু করেছে সেই ঝুপড়িতেই জীবন শেষ করছে।
Our Bangladesh
তাই সস্তা শ্রমের কন্সেপ্ট এইবার অন্তত বন্ধ করা উচিত আমার মতে বলা উচিত অভিজ্ঞ ও শিক্ষিত শ্রমিক ন্যায্য শ্রম!! আমাদের অর্থনীতিতে বেকারত্ব ও বৈদেশিক চাকুরীকে হিসেবে করলে, আমাদের মানুষের শ্রমের মুল্য দাসের শ্রমের কাছাকাছি অবস্হায় আছে। আতিয়ারের কথা বলে লাভ নাই তিনি তার জীবনে কলিটার পান্তা ভাত খেয়ে, বোতাম ছাড়া শার্ট পরে স্কুলে গেছেন এই গল্প করেই দিন পার করেন তার কাছে তো শ্রমিক মানে গল্পের ফেরিওয়ালা।আমাদের ব্যুরোকরেটরা ও পুলিশরা হচ্ছে, ভয়ংকর ২টি শ্রেণী
*******************
page
seo
blog
blogger
blogspot
Book
news
learn
press
media
find out
Literary Agents
literature
religion
economics
politics
world
bengali
bangladesh
dhaka
Current affairs
current world
Our Bangladesh
Bangladesh
0 Comments