Of Great Poets & Litterateurs
| Of Great Poets & Litterateurs |
কবি, সাহিত্যিকদের বিশাল ব্যক্তিত্ব থাকতে হয়
কবি, দার্শনিক, এষ্ট্রোনোমার, অংকবিদ, ওমর খৈয়ামের সময় ( ১০৪৮-১১৩১ ) ২১'শের বইমেলা ছিলো না, আমাজান ডট-কমে উনার বই বিক্রয় হতো না; এবং আপনি যেই স্কুলে পড়তেন, ওমর খৈয়াম সেই স্কুলের শিক্ষক ছিলেন না; উনার ব্যক্তিত্ব, দর্শন, জীবন সম্পর্কে আপনি যতটুকু জানেন, কিংবা কবি নজরুল ইসলাম ও ড: শহিদুল্লাহ যা লিখেছেন, সবকিছুই 'রুবাইয়াৎ'গুলো থেকে অনুধাবন করা।
রাশিয়ান লেখক লিও টলষ্টয়(১৮২৮-১৯১০) পোষ্ট লেখেননি; উনার ব্যক্তিত্বকে অনুধাবন করতে হলে, আপনাকে 'আন্না কারেনিনা' ও 'ওয়ার এন্ড পিস' পড়তে হবে; ইতিমধ্যে পড়ে থাকলে উনাকে চেনেন, না'পড়লে উনাকে চেনার কথা নয়।
কবি, লেখদের ব্যক্তিত্ব তাঁদের লেখার লাইনে লাইনে লেখা থাকে। বঙ্গবন্ধু, আমাদের কবিকে কলকাতা থেকে ঢাকা আনার পর, কবির উপর কয়েক লাইন বক্তৃতা দিয়েছিলেন; সেটা ভালো বক্তৃতা ছিলো; কিন্তু ঢাকার শিক্ষিতরা সেই ঘটনার অনেক আগের থেকেই কবি নজরুল ইসলামের বিপ্লবী ব্যক্তিত্বকে জানতেন; উনার কবিতার লাইনে লাইনে সেটি লেখা ছিলো।
যেই বাংগালী ৫ম শ্রেসণী অবধি পড়েছেন, তিনি কবিতা লিখেছেন জীবনে, যেই বাংগালী ৮ম শ্রেণী অবধি পড়েছেন, তিনি গল্প লিখেছেন; এঁদের লেখা কত সময় টিকে থাকবে, সেটা নির্ভাব করে তাঁদের ব্যক্তিত্বের উপর; লেখার লাইনে লাইনে লেখকের ব্যক্তিত্ব লেখা থাকে, ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন কবি, সাহিত্যকদের লেখা জীবিত থাকে দীর্ঘ সময়।
| Of Great Poets & Litterateurs |
আপনি সকালে কবিতা লিখছেন, বিকেল ছোট গল্প লিখছেন, কিংবা বছরের শেষে বই মেলায় আপনার বই প্রকাশ হচ্ছে, সবই ভালো; আপনার কবিতা, গল্প, কাব্যগ্রন্হ কিংবা উপন্যাস কত সময় বেঁচে থাকবে, সেটা নির্ভর করবে আপনার ব্যক্তিত্বের উপর; আর ব্যক্তিত্ব হচ্ছে, একজন মানুষের প্রোফাইল।
লেকার মাঝে লেখকের ব্যক্তিত্ব থাকে, ব্যক্তিত্ব বড় না'হলে, লেখা বাঁচবে না। রবীন্দ্রনাথ এর লেখা না পড়ে ওঁর সম্পর্কে শত শত পৃষ্ঠা পড়েও ওঁকে যথার্থ চেনা হবে না। লেখক এর সৃষ্টিই লেখকের যথার্থ পরিচয়। কেহ কেহ বলেন যে, ঠাকুর মহাশয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্টার বিপক্ষে ছিলেন; কেহ বলেন যে, তিনি জমিদার ছিলেন; আসলে, তিনি কি ছিলেন, সেটা লেখা আছে, উনার কবিতায়, গানে ও গল্পে। তলস্তয়কে জেনেছি ওঁনার লেখা থেকেই। বারাক ওবামা লিও টলষ্টয়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন; তিনি নিশ্চয় পুটিনের সাথে কথা বলেছেন, কিন্ত টলষ্টয়কে দেখেননি। "যাব না আজ ঘরে রে ভাই, যাব না আজ ঘরে
আকাশ ভেঙে আলোকে আজ নেব রে লুঠ করে।" যিনি নরম শব্দে এই পরম সৌন্দয্যের সৃষ্টি করে গেছেন, কেমন ছিলেন সেই মানুষটি? রাশান লেখকদের লেখা পড়ে মনে হয় আরো ভুল করেছি।অন্যদের লেখা পড়ায় আর মন বসাতে পারলাম না।ব্রাদারস কারমোজভ এক সমৃদ্ধ উপন্যাস,তার উপন্যাসগুলো আমাকে আকর্ষণ করে বেশি।
অর্থনৈতিক এই প্রতিযোগিতা যুগে মানুষের মন মানুষিকতার বিরাট পরিবর্তন,তাই লেখা লেখির পরিবর্তন।তখন পরিবর্তন হতো লম্বা সময় পরে।এখন সকালে একটা তো বিকেলে আরেকটা। তখন (১৯১০ সালে) বিখ্যাত লেখকদের ১টা লেখা প্রকাশ করতে লাগতো গড়ে ২/১ মাস; এখন ৫ মিনিটে লেখা প্রকাশ করা যায়। শুধু সাহিত্যিক নয় ব্যক্তিত্ববান মানুষ হওয়াটা প্রতিটি মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মানুষ কবি, সাহিত্যিকদের ভালোবাসেন, মনে রাখেন; রাজনীতিবিদদের মনে রাখেন। পর্ণকবি ও অপসাহিত্যকরা মানুষের সন্মান পান না। ব্যক্তিত্বের আলাদা রূপ থাকে, তা লেখায় প্রকাশ পায়। তবে কখনো কখনো লেখক আর ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব ভিন্ন হয়। লেখা ও ব্যক্ত্বিত্ব ভিন্নমুখী হলে, যেটা শক্তিশালী, নিউটেনের সুত্রানুরে, সেটা টিকে থাকবে, মানুষ সেটাকেই মনে রাখবেন কিছু সময়। নিজের শক্তিতে বুঝে নিতে হবে সব । জীবনের একটা সময়ে, নিজের উপর আত্মবিশ্বাস থাকতেই হবে।
Of Great Poets & Litterateurs
আত্ম বিশ্বাস ও জাতীয় প্রতিষ্টা,জাতীয় ভাবমুর্তী উজ্জল ও মানুষের মনে প্রাণে
নির্মল আনন্দ দানের জন্য বলিয়ান হয়ে যারা লেখালেখি করবেন ও নীজের
ব্যক্তিত্বকে যাবতীয় কলুষ মুক্ত রেখে পথ পরিক্রম করবেন তারাই স্মরনীয়
বরনীয় হয়ে থাকবেন তাঁদের কর্মের মাধ্যমে,তাঁদের জীবনাচারের মাধ্যমে।
বাকি সব হারিয়ে যাবে কালের গর্ভে, কিংবা থেকে যাবে অন্ধ প্রকোষ্ঠে ।
জাতীয় প্রতিষ্ঠা ও জাতীয় ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য লিখলে তা আধাসত্য হয়ে যায়, পক্ষপাতী লেখা হয়। জাতির বা দেশের চাইতেও যারা মানুষ এবং ধর্মকে বেশি সত্য করে দেখেছেন (যেমন, রবি ঠাকুর, তলস্তয়) তারাই কালকে অতিক্রম করতে পেরেছেন।
ব্যক্তিত্বহীন মানুষের লেখা জন্ম নেয়ার পর, অক্সিজেনের সংস্পর্শে এসে পটল তোলে। প্রতিটি মানুষেরই ব্যক্তিত্ব থাকা উচিৎ। তবে, কবি, লেখকদের বেলায় 'বিশাল' ব্যক্তিত্বের দরকার। মানুষকে নিয়ে লিখে মানুষ বড় বড় লেখক হয়েছেন, কবি হয়েছেন। একজন মানুষের সান্নিধ্যে আরেকজন ব্যক্তিত্ববান হয়ে ওঠলো। পরশ পাথরের মতন । মনে করে আপনার ভাল কিছু লেখা পড়ে মানুষের পরিবর্তন আসতে পারে যদি। তাহলে সংষ্পর্শে তো আরও প্রবল প্রভাব পড়ার কথা তাই নয় কি? কবিতা, সাহিত্য, ভাষা, মানুষের সংস্কৃতির অংশ; সংস্কৃতির ফসল হচ্ছে মানুষের ব্যক্তিত্ব। মানুষ কেন লিখে? এটা এখন অনেকে বুঝে না! মানুষ নিজের অনুভবতা, অভিজ্ঞতাকে অন্যকে জানাতে চান, শেয়ার করতে চান। লেখদের ব্যক্তিত্ব তাঁদের লেখার লাইনে লাইনে লেখা থাকে। আপনার লেখায়, আপনার জীবনের অনুভবতার স্পর্শ পাওয়া যায়। আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে, আপনার কবিতাগুলো বাতাসের অক্সিজেনে যেন পুড়ে না যায়।
Of Great Poets & Litterateurs
আমার কবিতা এ সময় নিয়া। পুড়ে যাওয়ার ডর নাই আমি এখনো কবিতার " ক " ও লিখি নাই বলতে পারেন আবোল তাবোল কিন্তু লিখে যাচ্ছি এতে আলসেমি নাই। সবচেয়ে বড় কথা আমি আমার কথা কই যে সময়ে দাঁড়িয়ে আছি তাই লিখার চেষ্টা করি এতে কে কি ভাবল তা নিয়া বইসা থাকি না। সাহিত্য এত বিশাল যাতে হারাইয়া যাওয়া যায় খুব অনায়াসে। কবি নজরুল, জ্ঞ্যান তাপস ডাঃ মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ, শামসুর রহমান এরা হয়ত অমর অন্তত বাংলা সাহিত্যে। এদের এ প্রজন্ম কতদূর ধারণ করতে পেরেছে সেই আসল কথা। শেষ করছি সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক সাহেব এর একটা কথা দিয়ে " এ প্রজন্ম কতদূর মাইকেল মধুসূদন পড়েছে? লেখা থেকে একজন মানুষের পরিচয় পাওয়া যায়। ব্যবহার যেমন বংশের পরিচয় তেমনি লেখা একটি মানুষের ডিএনএ পরিচয়। ভালো ফলের গাছকে মানুষ সেবা করে, পঁচা ফলের গাছ জ্বালানী হয়ে যায়। মানুষ বট গাছের নীচে আশ্রয় নেয়। আবর্জনাও শিল্প হয় কারো কারো জন্য। লুইচ্চামি করা যেমন ব্যক্তিত্বের সংগা হয়
সাহিত্য যৌনতা আছে, মৌনতা আছে; সেই সাহিত্য রচনার জন্য দরকার কালিদাস; আপনি কালিদা নন। শুধু লেখালেখি নয় জীবনের প্রতিটি কর্মে ব্যক্তিত্ববোধ, মূল্যবোধ থাকতে হয়। এগুলো মানুষের সম্মান অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তবে লেখকদের এ বিষয়টি আরো গুরুত্বপূর্ণ। লেখকের মূল পরিচয় লেখায় হলেও লিখনীকে আরো সুন্দর, আরো মৌলিক, আরো সমাজ উপযোগী হিসাবে উপস্থাপন করতে লেখকের ব্যক্তিত্ববোধ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কি লিখছেন? তা থেকেই ব্যক্তি চরিত্র অনেকটা আঁচ করা সম্ভব। কবি ও সাহিত্যকরা কিছু লুকাতে পারেন না, অন্যেরা এমন পরিস্কার স্বাক্ষর রেখে যাবার সুযোগ পান না। সেটা নির্ভর করবে আপনার ব্যক্তিত্বের উপর; আর ব্যক্তিত্ব হচ্ছে, একজন মানুষের প্রোফাইল।
.................................................................................................................................
ব্যক্তিত্বের
ভাল বা মন্দর উপর জীবন চলমান,
কেউ সুখ শান্তিতে থাকে ,
কেঊ বা দেশান্তরী হয় ।
কবি, লেখক সম্পর্কে বলছি, আপনি ও আমি উহাতে পড়ি না; উহাতে আছেন নজরুল ইসলাম, খৈয়াম, লিও টলষ্টয়, মধুসুদন দত্ত, প্রমুখ।
মানুষ ২ পাতা গুগুল আর উইকিপিডিয়া কপি পেস্ট করে বিজ্ঞান সাময়িকী বানায় ফেলে। আরিফ আজাদ জ্ঞান বিজ্ঞান ইভালুশান আর দর্শন এর বই লিখে, সামুতে জ্ঞানী গুণি ব্যক্তিরা কালা কুত্তার গায়ে জিন ভুত দেখে সেটা লিখে, গরু গাধা ছাগল বেকুব নিয়ে কবিতা লিখে সো কল্ড কবি, কপি পেস্ট করে এখান থেকে ওখান থেকে মেরে লিখে কপি পাস্তা লেখক- দিন শেষে এসব কিছুই কাজে আসেনা। সময় বহতা নদীর মত, আগাছা পরগাছা গুলো ঝড়ে যাবে। সময় টিকে রাখবে সত্য কে। ঊইকিতে গরুর রচনাও আছে; উহা থেকে লিখলে অনেক সময় গরুর পা ৬টি হয়ে যায়; আরিফ আজাদেরা গরুর জন্য গরুর রচনা লেকেহ। আমার এক বন্ধু, বড় জ্ঞানী( মাইক্রো ইকোনমিক্স এ ডক্টরেট করেছে) মানুষ- প্রচুর পড়াশুনা করেছে জীবনে। আড্ডার প্রান ভোমড়া-
দারুন সুরসিক,বাকপটু, বিজ্ঞ! চরম আড্ডাবাজ হলেও তার ব্যক্তিত্বকে আমরা সন্মান করি! বি গত পঁচিশ বছর ধরে সে কোন গল্প উপন্যাস বা উত্তম কোন প্রবন্ধ বা নিবিন্ধ লিখবে বলে ভাবছে! আজো যাবত ভেবে যাচ্ছেই- গত মাসে জিজ্ঞেস করলাম, কিছু কি লিখলে- সে বরাবরের মত হেসে বলল, নারে ভাই- ভাবছি লিখব, কিন্তু বোঝতো আমার অবস্থানের সাথে যায় এমন কিছু লিখতে হবে। এইটা আর কবে হবে? -জানিনা- হবে হয়তো না ও হইতে পারে। নিজের অবস্থান আর ব্যাক্তিত্বের জন্য একটা জীবন কাটিয়ে দিল সে কিছুই না লিখে। তবে আমি নিশ্চিত সে যদি লেখা লেখি করত তাহলে অনেকদুর যেতে পারত। ফেসবুকে এখনো আমার কোন একটা লেখায় সে লাইক দিলে মনে হয় লেখা সার্থক হয়েছে। উনার ভাবনার জগতটা বিশাল; উনি হয়তো ভয় পাচ্ছেন যে, সেটাকে তিনি সঠিক মতো প্রকাশ করতে পারবেন না, সেজন্য লিখা শুরু করতে পারছেন না। উনার বিশাল ব্যক্তিত্ব ও সামাজিক অবস্থানের জন্য তিনি আটকে গেছেন! অতি উঁচু ব্যক্তিত্ব ও পারবারিক অবস্থান এবন ভারি প্রফেশন অনেক সময় সাহিত্যক হবার পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়। এখন কবি লেখকগণ তেলবাজ আর চামচা হয় । বাড়ি গাড়ি পেতে চায় তাই মরে যায়। রাজকবি, নেতার কবি, পর্ণকবি বেড়ে গেছে আগাছার মতো। ব্যাক্তিত্ব্য সবারই থাকা দরকার। তবে অনেক নামি লোকের যেমন নাম থাকে, কিন্তু সম্মান থাকে না। তেমন অনেক পপুলার লেখকের পপুলারিটি থাকে , কিন্তু সত্যই ভীষন ব্যাক্তিত্ব্যের অভাবে ভোগেন। আমি সাধারনত কোন পক্ষ বা বিপক্ষ্যে তর্কে থাকি না। এখানেও একথা বলে নেই যে, যে যেভাবে লিখতে চান লিখুন। এটা বোঝা সত্যই অসম্ভব যে , কালের পরিবর্তনে কোন ধরনের লেখকের কথা মানুষ মনে রাখবে। একটা কথা বলে নেয়া ভাল, যে কোন কবি বা লেখক যে লিখাটি লিখেন , সেটার পেছনে একটি "তাগিদ" থাকে। একটি বক্তব্য থাকে। আমার মনে হয় , সব লেখকই সেই দ্বন্দ থেকে লিখেন। কারো লিখা অমর হয়ে যায়। কারো লেখা হারিয়ে যায়। এখানে যে কোন লেখক বা কবিকে এই বেনিফিট অব ডাউট আমাদের দিতেই হবে যে, লেখক বা কবি জনপ্রিয় হওয়ার উদ্দেশ্যে হয়ত লিখেন না, লিখেন নিজের বক্তব্য (মতামতটি) তুলে ধরতে। করো ভঙ্গিটি থাকে "র", যেমন ধরেন মার্ক টোয়েনের বিখ্যাত উপন্যাস “The Adventures of Huckleberry Finn”। এটাতে অনেক "এন" ওয়ার্ড় ছিল। আবার করো বক্তব্য অনেক পোলাইটই থাকে, যেমন আমাদের রবি বাবু। মধুসুদণ দত্ত, রবি বাবু, নজরুল ইসলা টিকে আছে বটগাছের মতো, লতাপাতা ফুলফল নিয়ে এক সময় বিদায় নেয়। অত্যন্ত রুঢ় বাস্তব কথা। আগাছা থাকে না, কৃষক একদিন উহাকে উপড়ে ফেলে। এখন নজরুল-শহীদুল্লাহ্ পড়ার সময় কোথায়। আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন নতুনরা তাঁদের পড়ে না । পড়লেও তা প্রচন্ড রকমভাবে কম । আমাদের বেস্ট সেলার হয় তারকাদের বই ,ইংরেজি শিক্ষার বই ,বা মাইক্রোসফট এক্সেল । দেশের সামাজিক, রাষ্ট্রীয়, সংস্কৃতি অংগনে এখন ফেসবুক ও প্রশ্নফাঁসদের গলা বড়। লেখাতেই ফুটে উঠে কে কেমন চরিত্রের
ধন্যবাদ
Of Great Poets & Litterateurs
page
seo
blog
blogger
blogspot
Book
news
learn
press
media
find out
Literary Agents
literature
religion
economics
politics
world
bengali
bangladesh
dhaka
entertainment
0 Comments