Bangladesh Economy

                                     Bangladesh Economy

Bangladesh Economy
Bangladesh Economy



                                 দেশের অর্থনীতি বুঝার চেষ্টা করেন 

 

 

আমাদের দেশের অর্থনীতিটা হচ্ছে৩য় বিশ্বের গলাকাটা ক্যাপিটেলিজমইহার পেছনে তেমন কোন তত্ব নেইইহা ভারত  পাকিস্তানের অনুকরণে একটা গোলযোগপুর্ণ অর্থনৈতিক ব্যবস্হাযারা সরকারের সাথে কোন না কোনভাবে যুক্ততারা ব্যবসা-বাণিজ্য দখল করেসরকারী সম্পদ দখল করেঅন্যদের সম্পদ  সুযোগ দখল করে একটা অর্থনীতি চালাচ্ছেতারা অর্থনীতিকে নিজের প্রয়োজন অনুসারে সাজায়সরকার  প্রশাসন মুলতদেশ চালায় নিজেদের ভালোর জন্যদেশকে তারা বাজার হিসেবে নিয়েছে। বিশ্বে ৩য় বিশ্বের দেশই বেশী।

 

৩য় বিশ্বও চলছেবসে নেইএখানে সরকার আছেপ্রশাসন আছেঅর্থনৈতিক কর্মকান্ড আছেব্লগার হিসেবে আপনাকে এগুলো বুঝতে হবে। সরকার  প্রশাশনকে বুঝের জন্য আপনাকে সমাজনীতি  রাজনীতি বুঝতে হবে। অর্থনীতি বুঝার জন্য আপনাকে দেশীয় ক্যাপিটেলিজমকে বুঝতে হবে। ক্যাপিটেজিম খুবই শক্তিশালী একটা অর্থনোতিক সিষ্টেমযা আসলে সরকারকে চালায়অর্থাৎযাদের হাতে ক্যাপিটেল থাকেতারা সরকার গঠনে  উনার কার্যক্রম চালনায়ও সরাসরি প্রভাব রাখে। সেই কারণেআপনাকে ইহার উপর জ্ঞান রাখতে হবে।

 Bangladesh Economy

ক্যাপিটেলিজমের স্বাস্হ্য বুঝার জন্য অনেক ধরণের ইনডেক্স ব্যবহার করা হয়কিছু ইনডেক্স দীর্ঘমেয়াদী ধারণা দেয়যেমন বাজেটজিডিপিমাথাপিছু আয়সবর্বনিম্ন বেতনব্যাংকের সুদের হারইত্যাদি। আবার কিছু ইনডেক্স আছেযা সাপ্তাহিক  মাসিক ধারণা দিতে পারেযেমন (ষ্টক-ইনডেক্স (বন্ডের ইয়েল্ড (বেকারত্বের হার (বাজার দর (নাগরিকদের ক্রয়-ক্ষমতা।

 

সারা বিশ্বই এই মহুর্তে ক্যাপিটেলিজমকেই অর্থনৈতিক তত্ব হিসেবে ব্যবহার করছেকিন্তু ক্যাপিটেলিজমেরও বিবর্তন ঘটেছেঅর্থনীতিবিদরা ইহাকে এখন কয়েকভাগে বিভক্ত করেছেন: (রাষ্ট্রীয় ক্যাপিটেলিজমইহার উদাহরণ হচ্ছেচীনইরানতুরস্ক (ফ্রি-মার্কেট ক্যাপিটেলিজমইহার উদাহরণ হচ্ছেজাপানআমেরিকাজার্মানীবৃটেন (ওয়েলফেয়ার ক্যাপিটেলিজমইহার উদাহরণ হচ্ছেস্ক্যানডেনেভিয়াকানাডাফ্রান্স (৩য় বিশ্বের ক্যাপিটেলিজমইহার উদাহরণ হচ্ছেভারতবাংলাদেশ থেকে শুরু করে লেবাননআফগানিস্তান।

 

আমেরিকা নিজকে ফ্রি-মার্কেট অর্থনীতির দেশ হিসেবে গণ্য করেফ্রি-মার্কেট অর্থনীতির মুল সংজ্ঞা দেয়া হয় সাধারণ অর্থনীতির দিক থেকেবাজারের চাহিদা  সাপ্লাই অর্থনীতির গতি নির্ধারণ করে। কিন্তু আমেরিকার অর্থনীতি ভয়ংকর কমপ্লেক্সশুধু বাজারের চাহিদা  সাপ্লাই এখানে অর্থনীতির গতি  দিক নির্ণয় করার মতো সোজা ব্যাপার নয়কারণসরকার ইহাকে কঠিনভাবে কন্ট্রোল করেফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক  কংগ্রেসের সিদ্ধান্তগুলো আমেরিকার অর্থনীতির গতি  দিক নির্ণয়ে বিশাল প্রভাব রাখে।

 Bangladesh Economy

আমাদের অর্থনীতির সঠিক কোন গতিপথ নেইসঠিক কোন প্যাটার্ণও অনুসরণ করে নাতবুওদেশের বাজেটষ্টক-মার্কেটসরকারী বন্ডবেকারত্বের হারন্যুনতম বেতনভোগীদের জীবনযাত্রার মানসুদের হার থেকে আপনি দেশের অর্থনীতির স্বাস্হ্য অনেকটা বুঝতে পারবেন। ইহা কি আপনার জন্য ইন্তারেষ্টিং ব্যাপারনাকি কয়েকলাইন পদ্য লেখা ইন্টারেষ্টিং?

 

 দেশের অর্থনীতি না বুঝাই ভালো। বিশেষ করে আমাদের মতোন দেশের। বুঝতে গেলে ঝামেলা আছে। কোন নাগরিক যদি কোন বিষয়ে দক্ষ হয়সেটা জাতির জন্য অনেক অনেক বড় ব্যাপার। আমাদের ছেলেরা অর্থনীতিফাইন্যান্স  ম্যানেজমেন্ট না বুঝতেভারতীয়রা ঢাকা থেকে বিরাট পরিমাণ ডলার নিয়ে যাচ্ছে। একদিকে অর্থনীতির স্বাস্থ্যটা তেলা মাথায়ওয়ালা আর গুটিকয় মানুষের জন্যে তেল চকচকে হয়ে আছে। অন্যদিকে সাধারন মানুষের অর্থনৈতিক স্বাস্থ্যটা পুষ্টিহীনতাতেই ভুগছে। এদের দুইয়ে দুইয়ে হাড় জিরজিরে করা হয়েছে। করোনা সে পুষ্টিহীনতাকে আরো বাড়িয়ে তুলেছে। দেশের ধমনীতে এখন স্যালাইন পুশ করা ছাড়া আর কোনভাবেই এদেরকে বাঁচানো যাবেনা। ৩য় বিশ্বের ছাত্রদের ১২ ক্লাশ অবধি সবাইকে অর্থনীতি  ফাওন্যান্স পড়ানোর দরকারইহুদী বাচ্ছাদের প্রাথমিক স্কুল থেকে ফাইন্যান্সের ধারণা দেয়া হয়। ষ্টক মার্কেটবেকারত্বের ডাটা ( বাংলাদেশে ইহা নেই ), বন্ড ইয়েল্ড ( এই ডাটাও সরকার দেয় না ), ব্যাংকের সুদের হারবাজেটের পরিমাণবাজার দরন্যুনতম বে্তনইত্যাদি নিয়ে কিছু সময় ব্যয় করলেঅনেক বিষয় পরিস্কার হবে। দেশের ১০ কোটি আল্লাহর ইচ্ছায় খেয়ে পড়ে বেঁচে আছে; কোটি দূর থেকে অর্থনীতি নিয়ে বুঝেনা বুঝে ঝিঁঝিঁ পোকার মত করে ; বাকি  কোটির জন্য দেশের ছোট্র ছোট্র অংশ ল্যাস ভেগাস,আটলান্টিক সিটি। স্টক মার্কেট লুটের মডেল নিলামে তুলতে হবে;৪৫ বিলিয়ন লোন;বাজেট


Bangladesh Economy
Bangladesh Economy
 

হলো বেতন ভাতা দেয়ার পর লুটের মহাউৎসবজমিদারী হালের ভাবনাবাজারের সবচেয়ে বড় মাছ আমার ব্যাগে ; স্নাতক পাশের ৬৬ ভাগ বেকার। দেশের সবচেয়ে বড় খেলোয়াড় সালমান এফ রহমান থাকতে আমি খেলব কেমনে ? শেষেতো পান্ডবদের মত বনবাসী নয় বানভাসি হতে হবে। সালমান রহমানবসুন্ধরাশিকদার ব্রাদার্সপ্রাইভেট ইউনিভার্সিটির মালিকেরা দেশটাকে দখল করে নিয়েছেকিন্তু দেশের মানুষ বেকারব্যাংকগুলো খালিইহা এভাবে চলা উচিত নয়মানুষের হয়ে পথ বের কারার দরকার। ভারত  পাক সহ তৃতীয় বিশ্বের অনেক দেশেই উন্মাদনা চলছে একধরণের চরম এগ্রেসিভ ক্যাপিটালিজম নিয়ে। এই কারণে এই সব দেশে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নব্য পুঁজিপতি সৃষ্টি হচ্ছে যারা এই পুঁজি অসৎ পথে উপার্জন করছেন। এরা কোনোক্রমেই আগ্রহী নয় এই সকল দেশের সাধারণ জনগোষ্ঠীর জন্য নূন্যতম মৌলিক চাহিদা পূরণ করে এমন কল্যানমুলক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য। এদের সাথে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুর ঘনিষ্ঠতার কারণে এবং তরুণ প্রজন্মের একাংশকে এদের ম্যানিপুলেট করার কারণেই এই দেশগুলোতে অদ্যাবধি যেটুকু সামাজিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা ছিল সেটিও বিলুপ্ত হওয়ার পথে।

অদূর ভবিষ্যতে সরকারি হাসপাতালসরকারি উচ্চ  কারিগরি শিক্ষার সিস্টেম থাকবে বলে আমার মনে হয় না। করোনার আগেশতকরা হারে বাংলাদেশ বেশী মিলিওনিয়ারের জন্ম দিয়েছেযদি এদের টাকার পরিমাণ হয়তো চীনবা আমেরিকার মতো নয়কোথায় পাচ্ছে এরা এত টাকাসৎ পথে বাংলাদেশে টাকা আয় করা মোটামুটি বেশ কষ্টকর। প্রাইভেট এডুকেশনটা জাতিকে পংগু করে দিয়েছে। ১৬ কোটি থেকে ১০ কোটি আপনার সুখের ডেফিনিশনে সুখী নয়,তবে সুখী;বাকি  কোটি অসুখীবিভ্রান্তহতাশ  অভিযোগ প্রিয়। দেশে যত কিছুই ঘটুক সবার পেটে ভাত পড়বে তাই গলাকাটা অর্থনীতি চালু থাকবেবাড়বে ; কমবে না। সবকিছু অনিশ্চয়তার মাঝে থাকলেভাত হজম হবে নামানুষ মানসিকভাবে অস্হির থাকবেন সব সময়। শ্রমিকেরা তো বুঝতে পারার কথা নয়কৃষকেরা বুঝতে পারার কথা নয়আপনারা যদি না বুঝেনঅন্যদের সঝায্য করবেন কিভাবে?  আমলা নির্ভর লুটেরা অর্থনীতি।গনতন্ত্র  জবাবদিহিতা না থাকার ফল। আমলারা কলোনী চালাচ্ছেওরা কার কাছে জবাব দিবেগার্মেন্টস'এর মেয়েছের কাছেনাকি গনিমিয়া কৃষকের কাছেদেশের মানুষ সামাজিক অস্থিরতা সূচক বুঝেঅস্হিরতার সুচক আছে কিনাআমি জানি নাতবেশিক্ষিতদের উচিত এইচডিআই'টাকে বুঝা। বাংলাদেশের অর্থনীতি বুঝতে চান দ্রুত আকবর আলী খানের "শুয়োরের বাচ্চার অর্থনীতিপড়া শুরু করতে পারেন চাইলে। জনগন  সরকার না মানুকআপনি অর্থনীতি বুঝে যাবেন। কার্ল মার্ক্সের 'ডাচ ক্যাপিটালপুরোপুরি মেলে না বাংলাদেশে। এটি হেভি ইন্ডাস্ট্রিয়াল উৎপাদন ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত। ডাস ক্যাপিটেল হচ্ছেঅর্থনীতিতে সাধারণ মানুষের ভুমিকা  অধিকারের লজিক্যাল ব্যাখ্যা  সাধারণ অর্থনীতি। আকবর আলী খান সরকারের ভুলের কথা বলেছেনকিন্তু মানুষের অধিকারের কথা বলেননি। এসব নাফরমানী জিনিশ না বুঝাই ভালআমরা বুঝবো নারীদের বুক আর পেটে কতটুকু ধর্ম আছে। আমরা মুখস্ত করবো এমন এক বই যার ভাষা আমাদের অজানা। এবং সেই অজানা ভাষার কাব্য মুখস্ত করে সেই কাব্য থেকে কিভাবে যাবতীয় বিষয় ব্যাখ্যা বিশলেষন করা যায়। আমাদের যা কিছু খারাপ হয় তা আমাদের পাশের দেশ এবং পশ্চিমা দেশের কারনে হয়। আর যা কিছু ভাল হয় তা ধর্ম ব্যাবসায়ীদের দোয়ার কারনে হয়। যা কাব্যে নেই তা বুঝার দরকার নেইযা কাব্যে আছে তা মুখস্ত করলেই হবে।

আমাদের সবার প্রথমে দরকার একমুখী এবং কার্যকরী শিক্ষা ব্যাবস্থা। এই দেশে ঠিক কয় ধরনের শিক্ষা ব্যাবস্থা চলে তা সয়ং শিক্ষামন্ত্রীও জানেন না। এখন সেক্রেটারিয়েটে যারা আছেএরা সাধারণ মানুষের ছেলেমেয়েদের পড়তে দেবে না। আমাদের নীচে আছে বার্মা  আফ্রিকাওসব দেশের মানুষ রাষ্ট্র নিয়ে ভাবে নাওরা নিজের পরিবার নিয়ে বাঁচতে চায়। ব্যাংকের মালিকগার্মেন্টস'এর মালিকেরাইউনিভার্সিটির মালিকেরাকনষ্ট্রাকশনের মালিকেরা এখন পার্লামেন্টে। গত  বছরে আমেরিকাতে ফেডারেল সরকারেরে স্টিমুলাস চেকে মানুষের জীবন বেচেছে। তবে ব্যবসা বানিজ্য ধ্বংসও হয়েছে। এখন আর মিনিমাম ওয়েজের ওয়ার্কার খুজে পাওয়া যায় না। এখন শুনছি আইন শৃংখলার অবনতি হবে। কারন ফেডারেল সরকারেরে স্টিমুলাস চেক শেষ হয়ে গেছে।

বাংলাদেশেতো স্টিমুলাস চেক ছিল নাঅনেক মানুষ গত এক বছরে দরিদ্র সিমার নিচে চলে গেছে। তবে আমেরিকার মত ক্রাইম বাড়েনিবা বাড়বেনা।

 

তুলনামুলক ভাবে বাংলাদেশের মানুষই বেশি শান্তি প্রিয়। কি বলেন। বাংলাদেশের মানুষ শান্তিপ্রিয়তবেযেভাবে আমাদের এটর্নী জেনারেল  আরো অনেক বিখ্যাত মানুষ করোনায় প্রাণ হারায়েছেন নীরবেইহাতে শান্তির কিছু ছিলো নাছিলো বোকামী

 

আমেরিকান ক্যাপিটেলিজম জীবনযাত্রাকে যেই লেভেলে নিয়েছেসেখানে সরকারী চেক ব্যতিত মানুষের জন্য পথ খোলা ছিলো নাবাংলাদেশ সরকার মানুষকে টাকা দিবে না কোন অবস্হায়টিকা কিনবে না কোন অবস্হায়শেখ হাসিনা টোকাই শিশুর পাশ দিয়ে গাড়ী নিয়ে চলে যাবেকিছু বদলাবে না। দেশে যত কিছুই ঘটুক সবার পেটে ভাত পড়বে তাই গলাকাটা অর্থনীতি চালু থাকবেবাড়বে ; কমবে না। দেশের সিংহভাগ জনগোষ্ঠী দু বেলা ভাত খাওয়ার মধ্যেই এখন সন্তুষ্ট থাকছে - এরা এখন আর অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বা জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের কোনো স্বপ্ন দেখছে না। এদের মধ্যে যারা জীবনযাত্রার মান পরিবর্তন চাইছে তাদের একাংশ অসৎ পথে রাতারাতি বড়োলোক হওয়ার স্রোতে গা ভাসিয়ে দিচ্ছে - আর আরেকাংশ সমুদ্র পাড়ি দেয়ার মতো দুঃসাহসিক কাজ করছে আরেকটি দেশে গিয়ে অদক্ষ শ্রমিকের ভূমিকা নেয়ার জন্য। এই দ্বিতীয় অংশের জীবনের সবকিছু অনিশ্চয়তার - এদের প্রতিটি দিনই কাটছে চরম মানসিক অস্থিরতায়।  বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম প্রশ্ন রেখেছেন ‘আমরা ঝাড়ুদার তৈরি করছি। এটা কোনো কথা হলোএকটা জাতি কি সারা জীবন নির্মাণশ্রমিক তৈরি করবেশার্ট আর সোয়েটার তৈরি করবে সমস্ত জীবনউচ্চ প্রযুক্তি কোথায় গেল আমাদের?’দুৰ্ভাগক্রমে এই দুষ্টচক্র থেকে বেরিয়ে আসা এই হতভাগ্য জাতির কপালে নেই। দেশের বড় একটি প্রফেশালে গ্রুপ হলো শিক্ষকদের সমিতিতারপর হচ্ছে ডাক্তার  ইন্জিনিয়ারদের সমিতিএরা সবাই অসাধুতাই সবাই দর্জি হচ্চে,না'হয় দেশ ছাড়ছে। বাংলাদেশে অর্থের ক্ষেত্রে সরকারের ইচ্ছাটাই নীতি।  ক্ষেত্রে সরকার জনগণের মতামত শুনতে অনাগ্রহী। গতকাল থানায় গিয়েছিলাম একটা অভিযোগ দায়ের করতে। ডিউটি অফিসার অভিযোগের লম্বা কথা পড়তে তাঁর নারাজির কথা বলে দিলেন। আমি বললাম কথা লম্বা হলেও দরকারী কথা। আপনি পড়ে দেখেন। তিনি বললেনদুচার কথা তিনি যা পড়েছেনতাতেই নাকি তিনি সব বুঝে গেছেন। এমন টেলেন্টদের দেশের লোক অর্থ নীতির কথা বুঝবে কিএরা অর্থ নীতি বলতে বুঝে অর্থ কিভাবে পকেটস্ত করতে হয়। এছাড়া এদের কাছে অর্থের সকল নীতি অর্থহীন। সরকারী চাকুরীতে খুবই সামান্য মানুষ চুরি করছে নাযারা চুরি করেতারা নিজকে সন্মান করে না  অদক্ষ মানুষএরা অকাজ ছাড়া কাজ করে নাপুরো জাতি দুষ্টদের হাতে আটকা পড়েছেএদেরকে সরানো অসম্ভব ব্যাপার। প্রাকৃতিকভাবে সবাই অর্থনীতির প্রভাবকে অনুধাবন করেনকিন্তু উহার প্রয়োগ জানেন নাদেশে পরিবর্তন আনার জন্য দেশের শতকরা ২০ ভাগ লোকের জ্ঞানই যথেষ্ঠ। ফ্রান্সে ওয়েলফেয়ার ক্যাপিটালিজম কী ঠিক?.....তাহলে সেখানে যে প্রায়ইশ বেকারত্ব  নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধিতে দাঙ্গা-হাঙ্গামা হতে দেখি। তবে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলো হলো আদর্শ রাষ্ট্র। তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর এদের মডেলকে সামনে রেখে নিজেদের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা সাজাতে পারে। তবে আমাদের মতো দেশগুলোতে রাজনীতিবিদ-আমলা-বড় ব্যবসায়ী মিলে একটি ক্রুনি সিস্টেম চালু রেখেছে।  শিকল ভাঙা খুবই কঠিন। ফ্রান্সের জনসংখ্যার মাঝে আরব  আফ্রিকানদের সংখ্যা বেড়েছেএরা পেছনে পড়ে গেছে  মুল ফরাসী fির মতো দক্ষ নয়কিন্তু ফ্রান্সের শ্রম-আইন বেশ কড়া  মালিকদের পক্ষে নয়ইহার সমাধান দরকার। জার্মানীও সেইদিকে যাবে ক্রমে। এই জাতিকে কোনোদিন নূন্যতম এই চিন্তাটুকুও করতে দেখেছেন কি যে তাদের প্রতিবেশী দুটো দেশে খাদ্য  নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির মূল্য কম হওয়া সত্বেও কেন অভাগা জাতিকে আকাশচুম্বী মূল্য দিয়ে জীবনধারণ করতে হয় ?

জাতি অর্থনীতি নিয়ে মোটেই কেয়ার করে না কারণ তার দায়িত্ব তারা দরবেশ বাবা  পদ্মফুলকে দিয়ে নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছে। আপনার এই নিরলস চেষ্টা সফল করতে হলে আপনাকে ওই দুইজনকে হটিয়ে তাদের রোল নিতে হবে।  মানুষ পদ্মফুলকে পায়ের নিয়ে ফেলেদরবেশদের সীমান্ত পার করে দেবে হ্য়তো বেশ শীঘ্রই।


                                                            **********








































































facebook

page

seo

google

blog

blogger

blogspot

Book

news

learn

press

media

find out

Literary Agents

literature

religion

economics

politics

world

bengali

bangladesh

dhaka

entertainment

Post a Comment

0 Comments